corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাবুয়ানি আর আভিজাত্যর মিশেল...পুরনো কলকতার বনেদি বাড়ির দোল উৎসব

বাবুয়ানি আর আভিজাত্যর মিশেল...পুরনো কলকতার বনেদি বাড়ির দোল উৎসব
সিংহ রাশির জাতক জাতিকারা জন্য় সভ রঙ সোনালি ও পলাশ । এতে তাঁদের সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।
  • Share this:

#কলকাতা: দোলের সঙ্গে মিশে রয়েকে বাঙালির বাবুয়ানি আর আভিজাত্য।

পুরনো কলকতার বনেদি বাড়িতে দোলের জলসায় একসময় গান গাইতে আসতেন গহরজান, মালাকজান! বেজে উঠত নুরজাহানের ঘুঙুর...

মুক্তারামবাবু স্ট্রিটের মার্বেল প্যালেস। কলকাতার মল্লিক পরিবারে দোলের সময় রাধাকান্ত, শ্রীমতী এবং গোপিচাঁদ বল্লভের বিশেষ পুজো হয় এখনও। রাজা রাজেন্দ্র মল্লিক প্রচলিত বৈষ্ণব প্রথা অনুসারেই এই আচার! ফাল্গুন মাসে শুক্লপক্ষের পঞ্চমীর দিন বিগ্রহের অঙ্গরাগ, তারপর দেবতাদের শোয়ারঘরে নিয়ে যাওয়া। এরপর দশমী তিথিতে বিগ্রহের শুদ্ধিকরণ, মার্জনা, স্নান, শৃঙ্গার, অলংকরণ, তিলককরণ এবং আবির মাখানো অনুষ্ঠান।

সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের দোলযাত্রার ঘনঘটাই ছিল আলাদা ! শ্যামরাইয়ের মন্দিরে দোলখেলার পর প্রচুর মানুষ স্নান করতেন পাশের দীঘিতে । সেই জলের রং দোলের রঙে হয়ে উঠত লাল। সেই থেকেই দীঘির নাম হল লালদীঘি। পাথুরিয়াঘাটার ঘোষ পরিবার, শরিক ভূপেন্দ্রকৃষ্ণ-মন্মথনাথের বাড়ির দোলউৎসব সেই কবেকার। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে শুরু। অপর শরিক খেলাৎচন্দ্র ঘোষের বাড়ির দোল খানিক পরে, ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। সে কী জাঁকজমক! ঠাটবাটে কেউ কাইকে হারাতে পারে না ! দোলের আগের দিন সন্ধ্যা বেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে হয় চাঁচর অনুষ্ঠান। তারপরই বসে গানের আসর!

এককসময়ে শোভাবাজার দেবপরিবারের দোল উৎসব মাতিয়ে দিত। নবকৃষ্ণ দেবের ছেলে রাজকৃষ্ণর পরিবারের গৃহদেবতা 'গোপীনাথ জিউ' এবং দত্তকপুত্র গোপীমোহনের পরিবারের গৃহদেবতা 'গোবিন্দ জিউ'কে ঘিরেই এই দুই শরিকের দোলউৎসব
। তবে দুই পরিবারের দোল একই দিনে হয় না। রাজকৃষ্ণের দোল আগের দিন, পরের দিন হয় গোপীমোহনের পরিবারের দোল। প্রস্তুতি শুর হয়ে যায় দোলের বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই। তবে এখন উৎসবের জাঁকজমকে খানিক ভাটা পড়েছে। জমিদারি আমলের সে বৈভব আজ আর নেই!

First published: March 20, 2019, 2:25 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर