Home /News /explained /
Explained: রাশিয়া কি সিরিয়ার যোদ্ধাদের ইউক্রেনে আনবে? পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে?

Explained: রাশিয়া কি সিরিয়ার যোদ্ধাদের ইউক্রেনে আনবে? পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে?

রাশিয়ার সাহায্যেই সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ ১১ বছরের গৃহযুদ্ধ দমন করতে পেরেছিলেন

রাশিয়ার সাহায্যেই সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ ১১ বছরের গৃহযুদ্ধ দমন করতে পেরেছিলেন

War in Ukraine: ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সিরিয়ান যোদ্ধাদের মোতায়েন কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, বৃহৎ বা কার্যকর হবে, তা এখনও জানা যাবে না।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ (Russia-Ukraine War) এখন তৃতীয় সপ্তাহে পড়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্য (Middle East) থেকে, বিশেষ করে সিরিয়া (Syria) থেকে স্বেচ্ছাসেবক যোদ্ধাদের আনার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন। সিরিয়ায় স্পষ্টতই প্রচুর যোদ্ধা রয়েছে যাদের রাশিয়া কাজে লাগাতে পারে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে গভীরভাবে প্রবেশ করেছে। ২০১৫ সালে সিরিয়ার ঘরোয়া সমস্যায় হস্তক্ষেপ করে রাশিয়া। রাশিয়ার সাহায্যেই সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ (Bashar Assad) ১১ বছরের গৃহযুদ্ধ দমন করতে পেরেছিলেন। তবে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সিরিয়ান যোদ্ধাদের মোতায়েন কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, বৃহৎ বা কার্যকর হবে, তা এখনও জানা যাবে না।

শুক্রবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শোইগু (Sergei Shoigu) জানিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইতমধ্যেই ১৬ হাজারের বেশি যোদ্ধা রাশিয়ার হয়ে লড়ার জন্য আবেদন করেছে। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট দেশের নাম বলেননি। সিরিয়ার বিরোধী গোষ্ঠী বলছে যে রাশিয়া সম্প্রতি ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য সিরিয়া থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়োগের প্রচেষ্টা শুরু করেছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত অনেক কম সংখ্যায় সিরিয়ান রাশিয়ার হয়ে লড়তে রাজি হয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেছেন যে ইউক্রেনে স্বেচ্ছাসেবক যোদ্ধা পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য ছিল। কারণ ভাড়াটে সেনা নিয়োগ করার জন্য ইউক্রেনের সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, "পশ্চিম যদি ভাড়াটেদের আগমনের ব্যাপারে এতই উৎসাহী হয়, তাহলে আমাদেরও স্বেচ্ছাসেবক আছে, যারা অংশগ্রহণ করতে চায়।"

রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে বিদেশি স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করার ঘোষণা করেছে ইউক্রেন। কিভ বলেছে যে প্রায় ২০ হাজার বিদেশি ইতিমধ্যে ইউক্রেনের টেরিটোরিয়াল ডিফেন্সের জন্য তথাকথিত ইন্টারন্যাশনাল লিজিওনে (International Legion of Territorial Defense of Ukraine) যোগদান করেছে, তাদের বেশিরভাগই পশ্চিমা দেশগুলি থেকে এসেছে।

আরও পড়ুন : শীতের আমেজ থাকবে? নাকি দোল উৎসবে গরমের মধ্যে খেলতে হবে রং? জেনে নিন আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস

যোদ্ধাদের কোন অভাব নেই: সিরিয়ার দীর্ঘ, বীভৎস যুদ্ধ সব পক্ষেরই অনেক সশস্ত্র দল, মিলিশিয়া এবং ভাড়াটে সেনাদের জন্ম দিয়েছে। সিরিয়ায় সরকারপন্থী আধাসামরিক গোষ্ঠীগুলির মধ্যে রয়েছে হাজার হাজার তথাকথিত জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী, খ্রিস্টান মিলিশিয়া যোদ্ধা এবং শহুরে-গেরিলা যুদ্ধে দক্ষ সেনা সদস্য। অন্যান্য রাশিয়ান-সমর্থিত সহায়ক ইউনিট এবং মিলিশিয়ারাও এই তালিকায় রয়েছে। সিরিয়া বিশ্লেষক ড্যানি মাক্কির মতে, "যদি প্রয়োজন হয়, রাশিয়া দ্রুত ইউক্রেনে যুদ্ধ করার জন্য এই গোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়োগ করতে পারে।"

নিকটবর্তী ইরাক, লেবানন এবং অন্য অঞ্চলের ইরান-সমর্থিত যোদ্ধারা কেবল সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেনি, তারা ২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ার বড় অংশ দখল করার পরে ইসলামিক স্টেট গ্রুপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করেছিল। রাশিয়ার বেসরকারি ঠিকাদার ওয়াগনার গ্রুপের (Wagner Group) হাজার হাজার ভাড়াটে সেনাও সিরিয়ায় মোতায়েন করেছে। মাক্কি বলেছেন, "সিরিয়ার অর্থনীতির দুর্দশার পরিপ্রেক্ষিতে যুদ্ধে যেতে চাওয়া পুরুষদের অভাব হবে না। যারা সামান্য কিছু বস্তুগত লাভের জন্য তাদের জীবন বাজি রাখতে ইচ্ছুক।"

আরও পড়ুন : যৌনরোগ থেকেই সাদা স্রাব? ভ্রান্তি কাটিয়ে যত্ন নিন গোপনাঙ্গের

তবে এটাই প্রথমবারের মতো সিরিয়ার যোদ্ধাদের বিদেশে কোনও যুদ্ধে নিয়োগ করা হবে না। তুরস্ক এর আগে তার যোদ্ধাদের উৎসাহিত করার জন্য সিরিয়ার ভাড়াটে সেনাদের নিয়োগ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আজারবাইজান (Azerbaijan) এবং লিবিয়া (Libiya) যুদ্ধ। যেখানে সিরিয়া, সুদান (Sudan) এবং তুরস্ক (Turkey) সহ হাজার হাজার বিদেশি যোদ্ধার উপস্থিতি শান্তির পথে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমান নিয়োগের প্রচেষ্টা: সিরিয় যোদ্ধাদের মধ্যে বিশেষ করে সরকার-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে নিয়োগের প্রমাণ মাত্র পাওয়া যাচ্ছে। ওমর আবু লায়লা নামে এক পর্যবেক্ষক বলেছেন, ইরাকের সীমান্তের কাছে পূর্ব প্রদেশ দেইর এল-জোরে কয়েকদিন ধরে চলছে নিয়োগ করছে ওয়াগনার গ্রুপ। আবু লায়লা বলেছেন, এ পর্যন্ত ওই প্রদেশে কয়েক ডজন পুরুষ যোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। তিনি দাবি করেছেন যে ইউক্রেনে নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে ৬ মাস কাজ করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের মাসে ২০০-৩০০ মার্কিন ডলার অফার করছে রাশিয়া।

আরও পড়ুন : গরমে ঘামাচি থেকে দূরে থাকতে মেনে চলুন সাধারণ কিছু নিয়ম

কিছু সিরিয় পর্যবেক্ষক এবং কর্মী পরামর্শ দিচ্ছেন যে কোনও নিয়োগ এখন পর্যন্ত অনেকাংশে প্রতীকী এবং একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। শুক্রবার, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের একটি বিজ্ঞাপন সিরিয়ার সেনাবাহিনীর অন্যতম বৃহত্তম চতুর্থ আর্মড ডিভিশনের ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানে দক্ষতার উপর নির্ভর করে জন প্রতি ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক পরিচালিত টিভি চ্যানেল সিরিয়া থেকে ফুটেজ সম্প্রচার করেছে, যেখানে ইউনিফর্ম পরিহিত সশস্ত্র ব্যক্তিদের স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। পুরুষরা রাশিয়ান এবং সিরিয়ার পতাকা নাড়ছিল এবং 'জেড' অক্ষর সম্বলিত একটি চিহ্ন ধরেছিল।

উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার একজন বিরোধী কর্মী আহমেদ আল-আহমাদ বলেছেন যে সরকার নিয়ন্ত্রিত উত্তরাঞ্চলীয় শহর ইথ্রায়ায় সিরিয়ান সেনাবাহিনীর পঞ্চম কর্পসের সিনিয়র অফিসারদেরকে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন যুবকদের নিয়োগ করতে বলেছে রাশিয়া। তিনি বলেন, "দক্ষিণ সিরিয়ায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ রেজিস্ট্রেশন করেছেন।" সিরিয়ান ফর ট্রুথ অ্যান্ড জাস্টিস নামে একটি স্বাধীন নাগরিক সমাজ সংস্থা এই সপ্তাহে তাদের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে দামাস্কাসের গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দা দুই নাগরিক স্বেচ্ছাসেবক হতে রাজি হয়েছেন। তারা নিশ্চিত করেছে যে সম্ভাব্য নিয়োগপ্রাপ্তদের নামের তালিকা অনুমোদনের জন্য রাশিয়ান বাহিনীর কাছে পাঠানো হবে।

কোথায় কোথায় নিয়োগ চলছে?

উল্লেখযোগ্যভাবে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিদেশি যোদ্ধাদের নিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে কারণ মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ৪ হাজার রুশ সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া, ইউক্রেনের সেনা ও সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের কারণে পুতিন এখন হতাশ হয়ে পড়েছেন। তাই তিনি বিদেশ যোদ্ধাদের নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছেন। তবে, সিরিয়ার যোদ্ধারা বিশেষভাবে দক্ষ হিসাবে পরিচিত নয়। ২০১৫ সালে, বিরোধীদের বিরুদ্ধে আসাদের নতুন সামরিক বাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যেতে রাশিয়ার বিমান বাহিনী, লেবাননের হিজবুল্লাহ জঙ্গি এবং ইরানি বাহিনীর সাহায্য নিয়েছিল। বিদেশি যোদ্ধারা আইএস-র বিরুদ্ধে যুদ্ধ-সহ অন্য সংঘাতে প্রথমের সারিতে ছিল। সিরিয়া বিশেষজ্ঞরা ইউক্রেনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নিয়োগকারীদের উপযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ সিরিয়রা ইউক্রেনীয় ভাষা বলতে পারে না, সেখানকার ভূখণ্ড বা কঠোর আবহাওয়ার সঙ্গেও পরিচিত নয়। যাই হোক, যদি যুদ্ধ আরও বাড়ে, তাহলে বিদেশি যোদ্ধারা আরও আকর্ষণীয় বিকল্প হয়ে উঠবে, সেই সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলবে। এছাড়াও, ব্রিটিশ সংবাদপত্র টাইমস শুক্রবার জানিয়েছে যে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের একদল যোদ্ধা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে তারা বলেছে যে তারা ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংবাদপত্রটি বলেছে যে ভিডিওতে ভারী অস্ত্রধারী একদল লোক বলেছে যে তারা শান্তি ও শৃঙ্খলা আনতে তাদের রাশিয়ান ভাইদের হয়ে লড়াইয়ে যোগ দেবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম আফ্রিকার অন্যান্য দেশের সেনাদের কাছ থেকে পাওয়া একই ধরনের ভিডিও সম্প্রচার করেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে জেলেনস্কিকে হত্যার সুপারি দিয়ে আফ্রিকা থেকে প্রায় ৪০০ ভাড়াটে সেনাকে ইউক্রেনে পাঠানো হয়েছিল। তবে, সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

সম্প্রতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy) একটি ভিডিয়ো বার্তার মাধ্যমে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তীব্র আক্রমণ করেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, তাঁদের দেশকে খতম করতে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের মানুষকে নিয়ে আসা হচ্ছে। এমনকী, সিরিয়ার মতো দেশ থেকে এক সময়ের ভয়ঙ্কর আইসিস জঙ্গিদেরও ইউক্রেনে পাঠাচ্ছে রাশিয়া। তিনি আরও বলেন, "আমরা এক একগুঁয়ে শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ করছি। যে আমাদের নাগরিকদের বিরুদ্ধে ভাড়াটেদের নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিরিয়ার খুনিদের নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। যদি রাশিয়া তাদের আগ্রাসন চালিয়ে যায় তাহলে তাদের আরও মূল দিতে হবে। বর্তমানে যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এগুলি পর্যাপ্ত নয়। আমরা আরও নতুন নিষেধাজ্ঞা আশা করছি।"

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় শরণার্থী সঙ্কট: রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী সংস্থা বা ইউএনএইচসিআর (UN Refugee Agency) বুধবার জানিয়েছে যে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৬ লাখেরও বেশি শরণার্থী (Refugee) ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। যারা ইউক্রেন ছেড়ে বিদেশে চলে যাচ্ছে তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। ইউক্রেন নিয়ম করেছে ১৮-৬০ বছর বয়সি পুরুষরা দেশ ছাড়তে পারবে না।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, পোল্যান্ড (Poland) অর্ধেকেরও বেশি ইউক্রেনীয় শরণার্থীকে আশ্রয় দিচ্ছে। আক্রমণের পর থেকে ১৬ লাখ ৫৫ হাজার ৫০৩ জন দেশটিতে প্রবেশ করেছে। হাঙ্গেরি (Hungary) ১২ মার্চ পর্যন্ত ২ লাখ ৪৬ হাজার ২০৬ জন শরণার্থী গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে, মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ জন ইউক্রেন থেকে স্লোভাকিয়ায় (Slovakia) প্রবেশ করেছে। ১০ মার্চ পর্যন্ত ইউক্রেন থেকে ১ লাখ ৬ হাজার মানুষ রাশিয়ায় আশ্রয় চেয়েছে। মলদোভায় (Moldova) বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১ লাখ ৪ হাজার ৯২৯ জন শরণার্থীর প্রবেশ করেছে। রোমানিয়া (Romania) জানিয়েছে, ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪২ জন শরণার্থী তাদের দেশে প্রবেশ করেছে। ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ১৮ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চল থেকে ৯৬ হাজার মানুষ রাশিয়ায় প্রবেশ করেছে।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: Russia Ukraine War, Syria, War in Ukraine

পরবর্তী খবর