• Home
  • »
  • News
  • »
  • explained
  • »
  • 9 11 ANNIVERSARY 20 YEARS ANNIVERSARY SEE HOW THE ATTACK HAPPENED IN AMERICA SANJ

9/11 Anniversary : সন্ত্রাসের বিশ বছর! কীভাবে হয়েছিল 9/11 হামলা? 'টাইমলাইন' আজও গায়ে কাঁটা দেয়...

আমেরিকায় সন্ত্রাস হামলা Photo : File Photo

9/11 Anniversary : ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার বুকের চরম সন্ত্রাসের দাগ কেটে দেয় জঙ্গি (US Terror Attack) হামলা।

  • Share this:

    #নিউ ইয়র্ক : আমেরিকায় ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে দেখতে দেখতে কেটে গেল ২০ টা বছর। (20th Anniversary) ৷ আজও ৯/১১ সন্ত্রাস (9/11 Anniversary) হামলার (US Terror Attack) স্মৃতি আমেরিকা সহ গোটা বিশ্বে আতঙ্কের স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে ৷ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার বুকের চরম সন্ত্রাসের দাগ কেটে দেয় জঙ্গি হামলা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গর্বের নিদর্শন নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ারকে মুহূর্তে গুড়িয়ে দিয়েছিল সন্ত্রাসবাদ ৷ শিশু বৃদ্ধ, মহিলা-সহ বেঘোরে প্রাণ হারাতে হয় ২,৭৫৩ জনকে৷

    সে দিন কীভাবে আমেরিকার নিরাপত্তার বেড়াজাল টপকে, গোয়েন্দা বিভাগের চোখে ধুলো দিয়ে সুপরিকল্পিত ভাবে পেন্টাগনের উপর বিমান নিয়ে আছড়ে পড়েছিল আল কায়েদার জঙ্গিরা? একনজরে দেখে নেওয়া যাক ভয়াবহ সেই ইতিহাসের টাইমলাইন (স্থানীয় সময় অনুসারে)।

    পোর্টল্যান্ডে নিরাপত্তার ফাঁক গলে বস্টনমুখী বিমানে চড়ে বসে দুই হাইজ্যাকার৷ এর প্রায় ২ ঘণ্টার মধ্য়েই যে ৫৪ জন অপহরণকারী আমেরিকান এয়ারলাইন্সের বিমান ১১ হাইজ্যাক করার ছক কষে। তাদের ভিডিয়ো টেপ প্রকাশ্যে এসে যায়৷ ততক্ষণে ওয়াশিংটন ডিউলস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পশ্চিম দিকের চেকপয়েন্টে নিরাপত্তা কর্মীদের নজর এড়িয়ে ঢুকে পড়েছিল জঙ্গিরা৷

    আরও পড়ুন : কান্দাহার বিমান অপহরণ কাণ্ডের মূল চক্রীর ছেলেই আফগানিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

    সকাল ৭.৫৯ মিনিট : লস অ্যাঞ্জেলেসগামী আমেরিকান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ১১ টেক অফ করে বস্টন থেকে৷ সেই বিমানে ছিলেন ১১ জন ক্রু সদস্য, ৭৬ জন যাত্রী ও ৫ জন হাইজ্যাকার৷

    সকাল ৮.১৫ মিনিট : অন্যদিকে বস্টন থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসগামী ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ১৭৫ টেক অফ করে কিছুক্ষনের মধ্যেই ৷ তাতে ছিলেন ৯ জন ক্রু ও ৫১ জন যাত্রী আর ৫ জন হাইজ্যাকার ৷

    সকাল ৮.১৯ মিনিট : ফ্লাইট ১১-এর ক্রুরা বিমানবন্দরের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে জানান, তাঁদের বিমান অপহরণ করা হয়েছে ৷

    সকাল ৮.২০ লস অ্যাঞ্জেলেসগামী আমেরিকান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৭৭ ভার্জিনিয়ার ওয়াশিংটন ডিউলস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছাড়ে৷ সেই বিমানে ছিলেন ৬ জন ক্রু, ৫৩ জন যাত্রী ও ৫ জন অপহরণকারী ৷

    সকাল ৮.২৪ মিনিট : হাইজ্যাকার মহম্মদ আট্টা ফ্লাইট ১১ থেকে বিমানের কেবিনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন ৷ সকাল ৮.৩৭ ফ্লাইট ১১ থেকে হাইজ্যাকারের ট্রান্সমিশন পেয়ে বস্টন এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল মার্কিন বায়ুসেনার উত্তর-পূর্ব এয়ার ডিফেন্স সেক্টরকে সতর্ক করে ৷

    আরও পড়ুন : সরকার গঠনের ঘোষণা তালিবানদের, নেতৃত্বে মহম্মদ হাসান আখুন্দ! পাক মদতেই কাটল জট?

    বেলা ৮.৪২ মিনিট : ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৯৩ সান ফ্রান্সিসকোতে নেওয়ার্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে টেক অফ করে৷ সেই বিমানে ছিলেন ৭ জন ক্রু, ৩৩ জন যাত্রী ও ৪ জন হাইজ্যাকার ৷

    সকাল ৮.৪৬ মিনিট : আমেরিকান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ১১ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ওয়ানের বুক চিরে ঢুকে পড়ে ৷ নর্থ টাওয়ারের ৯৩ তলা থেকে ৯৯ তলার মধ্যে আঘাত হানে সেই বিমান ৷ ৯১ তলার উপরে আটকে পড়েন শয়ে শয়ে মানুষ৷ আর বিমানে থাকা প্রত্যেকে ঘটনাস্থলেই মারা যান ৷

    অপ্রত্যাশিত অতর্কিত হামলায় বেসামাল হয়ে পড়ে গোটা আমেরিকা৷ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ৷ নর্থ টাওয়ারে পাঠানো হয় পুলিশ, দমকল ও ডাক্তারদের ৷

    সকাল ৮.৫০ মিনিট : খবর পৌঁছয় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের কাছে ৷ সারাসোটায় একটি স্কুল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি ৷ তাঁকে সতর্ক করা হয় ৷

    সকাল ৮.৫৫ মিনিট : পোর্ট অথরিটি ফায়ার সেফটি বিভাগ সাউথ টাওয়ারকে নিরাপদ বলে ঘোষণা করে এবং প্রত্যেককে তাঁদের অফিসে চলে যেতে বলে ৷

    সকাল ৮.৫৯ মিনিট : পোস্ট অথরিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট দুটি টাওয়ারই খালি করে দেওয়ার নির্দেশ জারি করে ৷ এর ফলে তৈরি হয় সংশয়৷ বিল্ডিংগুলি আদৌ নিরাপদ কি না, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে ৷ অনেক অফিসকর্মীকে আবার অফিসে ফিরে যেতে বলা হয় ৷

    সকাল ৯টা : ফ্লাইট ১৭৫-এর কর্মীরা সান ফ্রান্সিসকোয় ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স অপারেটরকে সতর্ক করে জানান যে, তাঁদের বিমান অপহরণ করা হয়েছে ৷ অনেক যাত্রী তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও করেন ৷

    সকাল ৯.০৩ মিনিট : এরই মধ্যে ফ্লাইট ১৭৫ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার টুতে আঘাত হানে৷ সাউথ টাওয়ারের ৭৭ থেকে ৮৫ তলার মধ্যে বিল্ডিংকে এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে যায় বিমান ৷ বিমানে উপস্থিত সবার ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৷ সাউথ টাওয়ারেরও বহু মানুষ প্রাণ হারান ৷ ইমার্জেন্সি সিঁড়ি, লিফ্ট সব ধুলিসাৎ ৷ ভেতরে আটকে পড়েন কয়েকশো মানুষ ৷

    আরও পড়ুন : শরীর দেখানো চলবে না! এবার আফগান মহিলাদের খেলাধূলায় নিষেধাজ্ঞা জারি তালিবানের...

    সকাল ৯.০৫ বুশকে দ্বিতীয় হামলার কথা জানানো হয়৷ একে জাতীয় ট্র্যাজেডি হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি ৷

    সকাল ৯.৩৭ মিনিট : এ বার ফ্লাইট ৭৭ আঘাত হানে পেন্টাগনে, মৃত্যু হয় বিমানে উপস্থিত সবার ৷ এ ছাড়াও প্রায় ১২৫ জন সাধারণ মানুষ ও সেনাকর্মীও মারা যান ৷

    সকাল ৯.৪২ মিনিট : ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রিশেন মার্কিন এয়ারস্পেস থেকে সব বিমান অবতরণ করানোর নির্দেশ দেয়৷

    সকাল ৯.৪৫ মিনিট : গোটা বিশ্ব তখন কাঁপছে আতঙ্কে ৷ হোয়াইট হাউস ও মার্কিন সংসদের উভয় কক্ষ খালি করে দেওয়া হয় ঝড়ের গতিতে৷

    সকাল ৯.৫৯ মিনিট : টানা ৫৬ মিনিট ধরে দাউ দাউ করে জ্বলার পর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে সাউথ টাওয়ার ৷ মাত্র ১০ সেকেন্ডে গুঁড়িয়ে যায় মার্কিন ঐতিহ্য ৷ বহুতলের ভেতরের ও তার আশপাশের প্রায় ৮০০ জনেরও বেশি মানুষ বেঘোরে প্রাণ হারান ৷

    সকাল ১০.০৩ মিনিট : ওয়াশিংটন ডিসি থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্বে পেনসিলভেনিয়ার কাছে একটি মাঠে আছড়ে পড়ে ফ্লাইট ৯৩ ৷ সেই বিমানের সব যাত্রী ও ক্রু মেম্বারদেরও মৃত্যু হয়৷

    সকাল ১০.১৫ মিনিটে : পেন্টাগনের পশ্চিম দিকের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ধসে পড়ে ৷ সকাল

    ১০.২৮ মিনিট : টানা ১০২ মিনিট ধরে জ্বলার পর নর্থ টাওয়ার ভেঙে পড়ে ৷ মারা যান ১৬০০-রও বেশি মানুষ ৷

    বিকেল ৫ : ০০ টা : ভেঙে পড়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ৭১। সেখানে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি ৷ কারণ ৪৭ তলা বিল্ডিং টি আগেই সম্পূর্ণ খালি করে সবাইকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নিরাপদ স্থানে।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: