"দয়া করে বাচ্চাদের ফিরিয়ে নিন!" স্কুলগুলিকে কাতর অনুরোধ টুইঙ্কল খান্নার, কী এমন ঘটলো?

"দয়া করে বাচ্চাদের ফিরিয়ে নিন!" স্কুলগুলিকে কাতর অনুরোধ টুইঙ্কল খান্নার, কী এমন ঘটলো?

File Photo

অতিমারি আবহে ছোটদের সারাদিনই থাকতে হচ্ছে বাড়ির চার দেওয়ালের মধ্যেই। আর তাতেই বেড়ে উঠেছে তাদের দৌরাত্ম! মাঝে মাঝে তা এমনই সীমা ছড়াচ্ছে যে 'ত্রাহি মধুসূদন' অবস্থা হচ্ছে মা বাবাদের।

  • Share this:

    #মুম্বই : প্রায় একবছর হতে চললো অতিমারি আবহে বন্ধ রয়েছে দেশের বেশিরভাগ স্কুল। কেন্দ্রের সবুজ সংকেতের পর উঁচু ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীদের স্কুল আংশিকভাবে খুললেও ছোটদের সারাদিনই থাকতে হচ্ছে বাড়ির চার দেওয়ালের মধ্যেই। আর তাতেই বেড়ে উঠেছে তাদের দৌরাত্ম! মাঝে মাঝে তা এমনই সীমা ছড়াচ্ছে যে 'ত্রাহি মধুসূদন' অবস্থা হচ্ছে মা বাবাদের। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁরাও যে অনেকেই ওয়ার্ক ফর্ম হোম!

    এমনই এক ওয়ার্ক ফর্ম হোম 'মম' অভিনেত্রী তথা লেখিকা টুইঙ্কল খান্না। করোনাকালে ঘরে থেকে থেকে যেন ছোটোখাটো দস্যু হয়ে উঠেছে ছেলে 'আরাভ' আর মেয়ে 'নিতারা'। আর তাতেই মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় ডিম্পল কন্যা তথা অক্ষয় ঘরণীর। কখনও পারিবারিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মায়ের বিব্রতকর ছবি পোস্ট করে বিড়ম্বনায় ফেলছে ছেলে আরভ। আবার কখনও তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়ে বাড়ি মাথায় করছে ছোট্ট নিতারা!

    বেচারি টুইঙ্কল। তাঁর লেখালেখির কাজকর্ম এবার শিকেয় ওঠার জোগাড়! কন্যা নিতারার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করেছেন টুইঙ্কল। যা দেখলে বেশ বোঝা যায় কী কাণ্ড না চলছে তাঁর বাড়িতে। ভিডিওটিতে নিতারা টুইঙ্কলের বিছানায় নাচছে আর জিমন্যাস্টিক করছে। আর ক্রমাগত কাঁপতে থাকা ল্যাপটপ নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অভিনেত্রী হিসেবে জীবন শুরু করে আজ জনপ্রিয় লেখিকা হয়ে ওঠা, টুইঙ্কল।

    ভিডিওতে টুইঙ্কল তাঁর মেয়েকে জিজ্ঞাসা করেছেন, "তুমি আমার ঘরে কেন এসব করছ? তোমার এখন ক্লাস নেই? " মায়ের এসব প্রশ্নে বিন্দুমাত্র কান দিচ্ছে না ছোট্ট মেয়ে। তিড়িং বিড়িং করে লাফিয়েই চলেছে। নিজের পাঠক এবং অনুগামীদের কাছে তার পরিস্থিতি শেয়ার করে এই পোস্টে টুইঙ্কল লেখেন, "আশা করবো খুব শিগগিরই স্কুলগুলি বাচ্চাদের আবার ফিরিয়ে নেবে। তা না হলে মা-বাবাদের হয়তো কাজ কর্ম ছেড়ে সারাদিন মদ্যপান করেই কাটাতে হবে।"

    তিনি লিখেছিলেন, "আমি যখন লিখছি তখন প্রতিবেশীরা তাঁদের দেওয়ালে ড্রিল চালাচ্ছেন আর তার ওপর আমার বিছানায় চলছে জিমন্যাস্টিক আর কাঁপানো ল্যাপটপের সঙ্গে লড়াই করতে করতে আমায় লেখার চেষ্টা করতে হচ্ছে। স্কুলগুলি কি এবার অন্তত বাচ্চাদের ফিরিয়ে নিতে পারে না?"

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published:

    লেটেস্ট খবর