advertisement

Dolon Roy: মন খারাপের জন্মদিন দোলন রায়ের, খেতে পারবেন না মায়ের হাতের পায়েস, স্বামীর থেকে নেবেন না গিফ্ট

Last Updated:
এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে প্রথমে ভর্তি করা হলেও স্বাস্থ্যের কোনও উন্নতি ঘটেনি। ভেন্টিলেশনে রাখা হয় তাঁকে। পরবর্তীকালে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়। মায়ের এমন অসুস্থতায় একেবারেই মন ভাল নেই দোয়েলের।
1/6
আজ, রবিবার, অভিনেত্রী দোলন রায়ের জন্মদিন৷ কিন্তু এই জন্মদিনে তিনি কোনও রকম উদযাপন করবেন না৷ কারণ তাঁর মা খুব অসুস্থ, আইসিইউ-তে ভর্তি৷ নিজের এই বিশেষ দিনটা মায়ের সঙ্গে কাটাতে না পেরে যারপরনাই মন খারাপ দোলনের। গুরুতর অসুস্থ হয়ে অভিনেত্রীর মা বেশ কিছুদিন আগে থেকেই হাসপাতালে ভর্তি৷
আজ, রবিবার, অভিনেত্রী দোলন রায়ের জন্মদিন৷ কিন্তু এই জন্মদিনে তিনি কোনও রকম উদযাপন করবেন না৷ কারণ তাঁর মা খুব অসুস্থ, আইসিইউ-তে ভর্তি৷ নিজের এই বিশেষ দিনটা মায়ের সঙ্গে কাটাতে না পেরে যারপরনাই মন খারাপ দোলনের। গুরুতর অসুস্থ হয়ে অভিনেত্রীর মা বেশ কিছুদিন আগে থেকেই হাসপাতালে ভর্তি৷
advertisement
2/6
 এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে প্রথমে ভর্তি করা হলেও স্বাস্থ্যের কোনও উন্নতি ঘটেনি। ভেন্টিলেশনে রাখা হয় তাঁকে। পরবর্তীকালে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়। মায়ের এমন অসুস্থতায় একেবারেই মন ভালো নেই দোয়েলের। তাই নিভৃতেই জন্মদিন কাটালেন অভিনেত্রী। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, মা, কাল জীবনের প্রথমদিন তোমার হাতের পায়েস ছাড়া আমার জন্মদিন৷ তবু ভাল, তুমি আছো, এইটা আমার গিফ্ট৷
এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে প্রথমে ভর্তি করা হলেও স্বাস্থ্যের কোনও উন্নতি ঘটেনি। ভেন্টিলেশনে রাখা হয় তাঁকে। পরবর্তীকালে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়। মায়ের এমন অসুস্থতায় একেবারেই মন ভালো নেই দোয়েলের। তাই নিভৃতেই জন্মদিন কাটালেন অভিনেত্রী। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, মা, কাল জীবনের প্রথমদিন তোমার হাতের পায়েস ছাড়া আমার জন্মদিন৷ তবু ভাল, তুমি আছো, এইটা আমার গিফ্ট৷
advertisement
3/6
দোলন বলেছেন যে এই সময়টা হাসপাতাল আর বাড়ি করেই কেটে গিয়েছে৷ কারণ তাঁর জন্মদিন কাটত অন্যরকম ভাবে৷ তাঁর মা সবসময় তাঁর জন্য পায়েস বানিয়ে খাওয়াতেন৷ সঙ্গে থাকল ৫ রকমের ভাজা৷ নিরামিষ পদ দিয়ে তিনি জন্মদিন উদযাপন করতেন৷ আবার কাজের মধ্যেই তিনি জন্মদিন কাটাতেন৷ এবার আর মায়ের হাতের পায়েস তাঁর খাওয়া হবে না৷ যদিও মা বেঁচে আছেন, এটাই বড় প্রাপ্তি৷
দোলন বলেছেন যে এই সময়টা হাসপাতাল আর বাড়ি করেই কেটে গিয়েছে৷ কারণ তাঁর জন্মদিন কাটত অন্যরকম ভাবে৷ তাঁর মা সবসময় তাঁর জন্য পায়েস বানিয়ে খাওয়াতেন৷ সঙ্গে থাকল ৫ রকমের ভাজা৷ নিরামিষ পদ দিয়ে তিনি জন্মদিন উদযাপন করতেন৷ আবার কাজের মধ্যেই তিনি জন্মদিন কাটাতেন৷ এবার আর মায়ের হাতের পায়েস তাঁর খাওয়া হবে না৷ যদিও মা বেঁচে আছেন, এটাই বড় প্রাপ্তি৷
advertisement
4/6
দোলন রায়ের এই জন্মদিনটা আজীবন মনে থাকবে। প্রতি বছরই বাইরে কাটাই জন্মদিন। কিন্তু পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই তিনি কাটান। বেশিরভাগ জন্মদিনই সবাই মিলে এ দিক-ও দিক চলে যান। কোনও বছর পুরী, কখনও বেনারস। বাইরেই কাটে তাঁর বছরের বেশিরভাগ সময়। এ বার মায়ের যা অবস্থা, তাঁরকিছুই ভাল লাগছে না। জানিয়েছেন অভিনেত্রী৷
দোলন রায়ের এই জন্মদিনটা আজীবন মনে থাকবে। প্রতি বছরই বাইরে কাটাই জন্মদিন। কিন্তু পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই তিনি কাটান। বেশিরভাগ জন্মদিনই সবাই মিলে এ দিক-ও দিক চলে যান। কোনও বছর পুরী, কখনও বেনারস। বাইরেই কাটে তাঁর বছরের বেশিরভাগ সময়। এ বার মায়ের যা অবস্থা, তাঁরকিছুই ভাল লাগছে না। জানিয়েছেন অভিনেত্রী৷
advertisement
5/6
নিজের এই বিশেষ দিনটা মায়ের সঙ্গে কাটাতে না পেরে যারপরনাই মন খারাপ দোলনের। গুরুতর অসুস্থ হয়ে অভিনেত্রীর মা বেশ কিছুদিন আগে থেকেই হাসপাতালে ভর্তি। এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে প্রথমে ভর্তি করা হলেও স্বাস্থ্যের কোনও উন্নতি ঘটেনি। ভেন্টিলেশনে রাখা হয় তাঁকে। পরবর্তীকালে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়। মায়ের এমন অসুস্থতায় একেবারেই মন ভালো নেই দোয়েলের। তাই নিভৃতেই জন্মদিন কাটালেন অভিনেত্রী।
নিজের এই বিশেষ দিনটা মায়ের সঙ্গে কাটাতে না পেরে যারপরনাই মন খারাপ দোলনের। গুরুতর অসুস্থ হয়ে অভিনেত্রীর মা বেশ কিছুদিন আগে থেকেই হাসপাতালে ভর্তি। এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে প্রথমে ভর্তি করা হলেও স্বাস্থ্যের কোনও উন্নতি ঘটেনি। ভেন্টিলেশনে রাখা হয় তাঁকে। পরবর্তীকালে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়। মায়ের এমন অসুস্থতায় একেবারেই মন ভালো নেই দোয়েলের। তাই নিভৃতেই জন্মদিন কাটালেন অভিনেত্রী।
advertisement
6/6
স্বামী দীপঙ্কর রায় চেয়েছিলেন একটু অন্য রকম ভাবে তাঁর স্ত্রীর জন্মদিন পালন করতে। কোথাও একটু ঘুরতে যেতে। তবে দোলন একেবারে চাইছেন না। কোনও রকম উপহারও নিতে চান না দোলন৷ দিনকয়েক আগেই বিবাহবার্ষিকীতে সুন্দর একটা উপহার পেয়েছে। তাই এই সময়টা আর কোনও খরচ করতে চাইছেন না৷
স্বামী দীপঙ্কর দে চেয়েছিলেন একটু অন্য রকম ভাবে তাঁর স্ত্রীর জন্মদিন পালন করতে। কোথাও একটু ঘুরতে যেতে। তবে দোলন একেবারে চাইছেন না। কোনও রকম উপহারও নিতে চান না দোলন৷ দিনকয়েক আগেই বিবাহবার্ষিকীতে সুন্দর একটা উপহার পেয়েছে। তাই এই সময়টা আর কোনও খরচ করতে চাইছেন না৷
advertisement
advertisement
advertisement