সেফ হোমে নিভৃতবাসে রোগীদের মন ভাল রাখতেও সচেষ্ট অদিতি মুন্সী

অদিতি মুন্সী, ছবি-ফেসবুক

রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রের নব নির্বাচিত এই তৃণমূল বিধায়কের উদ্যোগে ইতিমধ্যেই কৈখালিতে শুরু হয়েছে সেফ হোম ৷

  • Share this:

    নির্বাচন মিটে গেলেই নাকি তারকাপ্রার্থীদের আর দেখা যায় না জনতার প্রয়োজনে ৷ এই অভিযোগ বহু দিন ধরেই বাংলার রাজনৈতিক দুনিয়ার সঙ্গী ৷ পুরনো এই অভিযোগ প্রথম থেকেই খণ্ডনের পথে অদিতি মুন্সী ৷ রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রের নব নির্বাচিত এই তৃণমূল বিধায়কের উদ্যোগে ইতিমধ্যেই কৈখালিতে শুরু হয়েছে সেফ হোম ৷

    বিধাননগর পুরনিগমের সহযোগিতায় এই সেফ হোমে মোট ৫০ শয্যা আছে ৷ ২০ টি শয্যা মহিলা রোগীদের জন্য ৷ বাকিগুলি নির্ধারিত পুরুষ কোভিড আক্রান্তদের জন্য ৷ অদিতি, জানিয়েছেন, নির্মীয়মাণ বাড়িতে সেফ হোম তৈরি করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয়ভাবে বাতানুকূল করা যায়নি ৷ প্রতি শয্যার জন্য আলাদা স্ট্যান্ডিং ফ্যান দেওয়া হয়েছে ৷ অক্সিজেন সরবরাহ, চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি থাকছে প্রত্যেক রোগীর জন্য আলাদা ভেপারাইজার ৷ আইসোলেশনে থাকা রোগীদের জন্য মন ভাল রাখাও জরুরি বলে মনে করেন অদিতি ৷ তাই গান শোনা, টিভি দেখার বন্দোবস্ত আছে এই সেফ হোমে ৷ সিনেমা দেখারও ব্যবস্থাও করতে চান অদিতি ৷

    এ বছর বিধানসভা নির্বাচনে রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্র থেকে অদিতি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি-র শমীক ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন ৷ রাজনৈতিক জীবনে পা রেখেই অদিতি দাঁড়িয়েছেন কোভিডরোগীদের পাশে ৷ নির্দিষ্ট নম্বরে শুরু করেছেন দিনভর টেলিমেডিসিন পরিষেবা ৷

    অদিতির কথায়, সেফ হোম বাড়িও না, আবার হাসপাতালও নয় ৷ যাঁদের নিভৃতবাসে থাকার জন্য চিকিৎসক বলেছেন, কিন্তু বাড়িতে সেরকম ব্যবস্থা নেই, তাঁদের জন্যই এই ব্যবস্থা ৷ জানিয়েছেন বিধায়ক ৷ তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে রাজনীতির রং না দেখে মানবিকতার খাতিরে সকলকে অতিমারি মোকাবিলা করতে হবে ৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: