হাত কেটে নায়িকাকে প্রেম নিবেদন ভক্তের ! সাড়া দিলেন অন্বেষা ওরফে ঊর্মি

জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'এই পথ যদি না শেষ হয়' -এ ঊর্মির চরিত্রে অভিনয় করছেন অন্বেষা হাজরা। আর সেই ঊর্মির মন কাড়তে এক ভক্ত নিজের হাত কেটে রক্ত দিয়ে নাম লিখলেন অভিনেত্রীর।

জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'এই পথ যদি না শেষ হয়' -এ ঊর্মির চরিত্রে অভিনয় করছেন অন্বেষা হাজরা। আর সেই ঊর্মির মন কাড়তে এক ভক্ত নিজের হাত কেটে রক্ত দিয়ে নাম লিখলেন অভিনেত্রীর।

  • Share this:

    #কলকাতা:  যখন মোবাইল ফোন ছিল না, সে সময়টা বেশ আলাদা ছিল। প্রেমে পড়লে এখনকার মতো হোয়াটসঅ্যাপে কথা সেরে ফেলার উপায় ছিল না। তবে একটা মাধ্যম অবশ্য ছিল, তা হল চিঠি। প্রেম পত্রের জুরি মেলা ভার। তবে আজকালকার ছেলে মেয়েরা এই প্রেম পত্রের স্বাদ পাইনি। তাদের কাছে সব কিছুই অনেক সহজ। আর প্রেম পত্রে হাত কেটে রক্ত দিয়ে চিঠি লেখা যেন এক দারুণ সাহসিকতার কাজ ছিল। সে সব যদিও আজকাল কেউ করেন না। তবে অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরার সঙ্গে যা হল, তা মনে করায় রক্তে লেখা প্রেম পত্রের কথা। হাত কেটে প্রিয় নায়ক নায়িকার নামও হয়ত অনেকে লিখেছে। কিন্তু ২০২১-এ এমন কাজ নেহাত ছেলে মানুষী।

    তবে প্রেমে পড়লে আর মাথার ঠিক থাকে কই। জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'এই পথ যদি না শেষ হয়' -এ ঊর্মির চরিত্রে অভিনয় করছেন অন্বেষা হাজরা। আর সেই ঊর্মির মন কাড়তে এক ভক্ত নিজের হাত কেটে রক্ত দিয়ে নাম লিখলেন অভিনেত্রীর। শুধু তাই নয় চাকু দিয়ে হাত কাটার ছবি এবং রক্তে লেখা নাম পোস্ট করেন ওই যুবক। এর পরেই বাঁধে গোল।

    অভিনেত্রী প্রথমে এই পোস্টটা দেখেননি। তাঁর এক বন্ধু তাঁকে দেখায়। এর পরেই রেগে গিয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট শেয়ার করে ওই ভক্তকে বোঝাবার চেষ্টা করেন অন্বেষা। কিন্তু ইনস্টা থেকে পোস্টটি আপত্তিজনক বলে ডিলিট করে দেওয়া হয়। এরপর অন্বেষা ফেসবুকে শেয়ার করেন পোস্টটি এবং লেখেন, " Please please না। না মানে না। এরম ভাবে নিজের হাত কেটে, নিজে কে কষ্ট দিয়ে পৃথিবীর কারুর জন্যই ভালোবাসা জাহির করতে যাবেন না। আমার বন্ধু আমায় msg টা দেখালো। আমি একদমই এই ধরনের msg কে নিজের প্রাপ্তি বলে মনে করি না। বরং আপনারা সুস্থ স্বাভাবিক হয়ে আমাদের পাশে থাকলে, আমাদের চলার পথ টা সুন্দর হবে। আমি অনুরোধ করছি এই ভাবে নিজে কে কষ্ট দিয়ে কারুর জন্য ভালোবাসা জাহির করবেন না। নিজের কথা টা ভবুন।" এভাবেই ভক্তকে বোঝাবার চেষ্টা করেন নায়িকা।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: