Home /News /education-career /
কর্ণাটকী সঙ্গীতের জিনিয়াস, পার্কিনসন্স রোগীদের জন্য বিশেষ যন্ত্র আবিষ্কারক, #BYJUSYoungGenius2-এর দ্বিতীয় এপিসোড দেখতে ভুলবেন না

কর্ণাটকী সঙ্গীতের জিনিয়াস, পার্কিনসন্স রোগীদের জন্য বিশেষ যন্ত্র আবিষ্কারক, #BYJUSYoungGenius2-এর দ্বিতীয় এপিসোড দেখতে ভুলবেন না

#BYJUSYoungGenius 2 এর মূল লক্ষ্য: দেশের অসাধারণ মেধা ও প্রতিভাসম্পন্ন শিশুদের সবার সামনে নিয়ে আসা এবং দেশের যুব সমাজকে অনুপ্রেরণা প্রদান করা

  • Share this:

    গত সপ্তাহে, BYJUS Young Genius 2 শুরু হওয়ার সাথে সাথেই সকলের মন জিতে নিয়েছে তাজামূল ইসলামের কাহিনী, 14-বছরের এই কিশোরী দুই বার ওয়ার্ল্ড কিকবক্সিং চ্যাম্পিয়ানের শিরোপা জিতেছে, এবং হারমানজোত সিং, 14-বছরের এই কিশোর হল একজন অলিম্পিয়াড এবং একটি পুরস্কার-প্রাপ্ত অ্যাপের নির্মাতা।

    এই সপ্তাহে, যাদের গল্প শোনাব আমরা তাদের বাস দেশের দুই প্রান্তে – বেঙ্গালুরু এবং পুণে –নিজেদের প্রতিভার সাহায্যে এরা অনেক কিছুই বদলে দিয়েছে। এটাই হল #BYJUSYoungGenius 2 এর মূল লক্ষ্য: দেশের অসাধারণ মেধা ও প্রতিভাসম্পন্ন শিশুদের সবার সামনে নিয়ে আসা এবং দেশের যুব সমাজকে অনুপ্রেরণা প্রদান করা, যাতে তারাও নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পারে।

    পরিচয় করুন রাহুল ভেল্লাল এবং সিরি গিরীশের সাথে– কর্ণাটকী সঙ্গীতে পারঙ্গম

    এই সপ্তাহে যে খুদে জিনিয়াসদের সাথে পরিচয় হবে তাদের সম্পর্কে কিছু জেনে নেওয়া যাক, শুরু করছি রাহুল ভেল্লালের সাথে, 14-বছরের এই কিশোর কর্ণাটকী সঙ্গীতে এমন দক্ষতা অর্জন করেছে যে মাত্র সাড়ে ছয় বছর বয়স থেকেই স্টেজে পারফর্ম করে। শুধু তা-ই নয়, মাত্র আড়াই বছর বয়স থেকেই সে বাড়িতে চালানো যে কোনও গান নিখুঁত ভাবে গাইতে পারত। এখনও পর্যন্ত ভেল্লাল ছয়টি ভাষায় পারফর্ম করেছে: কন্নড়, তামিল, তেলুগু, হিন্দি, মরাঠি এবং গুজরাতি। এই কিশোরের কথায়, স্বকীয়তা হল কর্ণাটকী সঙ্গীতের আত্মা এবং সৌন্দর্য, জীবনের এই দর্শন প্রথম থেকেই অনুসরণ করে আসছে এই খুদে জিনিয়াস।

    ভেল্লাল প্রায় এক দশক ধরে সঙ্গীতচর্চা করছে এবং ইতিমধ্যেই সে প্রচুর পুরস্কার ও স্বীকৃতি জিতে নিয়েছে। কর্ণাটকী ভোকালের জন্য সে শন্মুখানন্দ এম এস সুব্বুলক্ষ্মী ফেলোশিপ 2018 পেয়েছে (2018-2020), একটি মিউজিক ভিডিওতে সে সুপরিচিত গীতিকার কুলদীপ এম পাই-এর সাথে কাজ করেছে, এমনকী ডিজনির অ্যানিমেটেড ফিল্ম "দ্য লায়ন কিং" (তেলুগু সংস্করণ) –এ প্রধান চরিত্র সিম্বার গলায় তারই কণ্ঠস্বর শোনা যায়।

    তবে এখনই থামতে চায় না ভেল্লাল। তার স্বপ্ন হল কর্ণাটকী সঙ্গীতের চর্চা চালিয়ে যাওয়া এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে পারফর্ম করা। এই কিশোরের অসামান্য প্রতিভা এবং এই ঐতিহ্যপূর্ণ ঘরানার সঙ্গীতের তার প্রতি সমর্পণ দেখলে শ্রদ্ধায় নতজানু হয়ে যেতে হয়, ঠিক যেমনটা করেছেন আমাদের অতিথি শঙ্কর মহাদেবন।

    আবার বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা 14-বছরের কিশোরী সিরি গিরীশ যখন মঞ্চে এসে তার নতুন রাগ নমোবীণাপাণি গেয়ে শোনাল, তখন বাকরুদ্ধ হয়ে গেছিলেন মহাদেবন। নিজস্ব কর্ণাটকী রাগ রচনাকারী সর্বকনিষ্ঠ কিশোরী হিসেবে সিরি নতুন রেকর্ড গড়েছে।

    এই এপিসোডে আমাদের সবচেয়ে প্রিয় অংশ হল, যখন তারা যৌথ ভাবে বন্দেমাতরম গেয়ে ওঠে এবং তাদের কণ্ঠস্বর ছাড়া বাকি সবকিছু ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে যায়। আর কিছু না হোক, শুধু এই একটি মুহূর্তের জন্য এই পুরো এপিসোডটি দেখা যায়।

    পার্কিনসন্স রোগের জন্য জুঁই কেস্কারের এই উদ্ভাবন হাতেকলমে দেখে নিন

    জুঁই কেস্কারের এক আত্মীয়ের শরীরে প্রথমে নানা উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে এবং পরে তিনি পার্কিনসন্সে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা যায়, সেই সময়েই ছোট্ট জুইঁ এমন কিছু করার কথা ভেবেছিল যাতে সেই আত্মীয়কে সাহায্য করা সম্ভব হয়। এই কিশোরীর আবিষ্কারের নাম জেট্রেমর-3D ডিভাইস, এই যন্ত্রের মাধ্যমে পার্কিনসন্স রোগীর কম্পনের মাত্রা পরিমাপ করা যায় এবং সেই তথ্য চিকিৎসকের কাছে পৌঁছে যায়, এর ফলে অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতিতে রোগীর চিকিৎসা করা সম্ভব হয়।

    পুণের বাসিন্দা 15-বছরের জুঁই এই যন্ত্র আবিষ্কারের দরুণ বহু পুরস্কার জিতেছে, এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল 2020 সালে জেতা ডঃ এপিজে আবদুল কালাম ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর ইনোভেশন অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি এবং সাংহাই ইয়ুথ সায়েন্স এডুকেশন ফেয়ার্স স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড – সায়েন্স সীড অ্যাওয়ার্ড এটি সে পেয়েছে 2021 সালে আমেরিকার রিজেনেরন ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফেয়ার থেকে। শুধু তা-ই নয়, এই রোগ সম্পর্কে রোগী এবং চিকিৎসকদের সাথে কথা বলার জন্য পার্কিনসন্স অ্যাসোসিয়েশান তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

    সারা বিশ্বের পার্কিনসন্স রোগীদের সাহায্য করার জন্য জেট্রেমর-3D ডিভাইসের বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আনার আগে, কেস্কর এখন চেষ্টা করছে কীভাবে এই ডিভাইসের দাম কমানো যায় এবং তার পাশাপাশি বিভিন্ন আইনি বিষয় নিয়েও সে কাজ করে চলেছে।

    এই রকম সমস্যার-সমাধান করার মানসিকতা, এবং তার পাশাপাশি কারও দক্ষতা ও প্রতিভার উপরে বিশ্বাস বজায় রাখার মাধ্যমেই, এই খুদে জিনিয়াসরা সাফল্যের শিরোপা জিতে নিয়েছে। এই কারণেই এত মানুষ এদের সমীহ করেন। এতক্ষণে আমরা সদ্য 2 নম্বর এপিসোডে এসে পৌঁছেছি, কিন্তু যে পর্যায়ের সাফল্য এবং প্রতিভার নজির এখানে তুলে ধরা হয়েছে তা অসামান্য।

    Network 18 প্ল্যাটফর্মে যখন সম্প্রচার করা হবে, তখন BYJU’S Young Genius সিজন 2-এর দ্বিতীয় এপিসোড অবশ্যই দেখুন।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published:

    Tags: BYJU'S Young Genius, Byjus, BYJUSYoungGenius2

    পরবর্তী খবর