নির্ভয়ার রেপের মামলায় আর্জির শুনানি, ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন দোষী অক্ষয় ঠাকুরের

নির্ভয়ার রেপের মামলায় আর্জির শুনানি, ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন দোষী অক্ষয় ঠাকুরের

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ফের শুনানি হবে

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ফের শুনানি হবে ৷ নির্ভয়া কাণ্ডের ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত অন্যতম দোষী অক্ষয় ঠাকুরের আবেদনের ভিত্তিতে হবে শুনানি ৷ ২০১৭ সালে অ্যাপেক্স আদালতে নির্ভয়া ধর্ষণ কাণ্ডে ফাঁসির শাস্তি ঘোষণা হয়েছিল৷ এর প্রেক্ষিতে ফাঁসির আবেদন মুকুবের জন্য আবেদন করেন তিনি ৷ প্রধানবিচারপতি এসএ বোবদে ও আর বানুমতি ও অশোক ভূষণের বেঞ্চে হবে শুনানি ৷ তাঁর আবেদনে বলা হয়েছে দিল্লির বায়ু দূষণ ও জল দূষণের পর এমনিতেই মানুষের  আয়ু কমে আসছে তাহলে আর আলাদা করে ফাঁসির সাজা কী প্রয়োজন ৷

এদিকে নির্ভয়ার মা এই আবেদনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে গেছেন ৷ ফলে কাউন্সিল সেই আবেদনও শুনে নেবে ৷ এ বছরের জুলাই মাসের ৯ তারিখ অন্য তিন দোষী মুকেশ (৩০), পওয়ন গুপ্তা (২৩), বিনয় শর্মা (২৪)-র ফাঁসির সাজা মুকুবের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল ৷ তাদের শুনানিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল ২০১৭ -র সাজার পর আর কোনও কারণেই তাদের সাজা মুকুবের প্রশ্ন ওঠে না ৷ ২০১০-র ডিসেম্বরের ১৬-১৭ তারিখ দক্ষিণ দিল্লিতে চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনায় শিউড়ে উঠেছিল গোটা দেশ ৷ ২০১২-র ২৯ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই ধর্ষিতার ৷ এই ধর্ষণ কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত রাম সিং তিহার জেলেই আত্মহত্যা করেছিল ৷ এই মামলায় একজন অপ্রাপ্তবয়স্ককের শুনানি হয়েছিল জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে ৷ পুর্নবাসন কেন্দ্রে তিন বছর থাকার পর তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয় ৷ ২০১৭ সালে দিল্লি হাইকোর্ট সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসি ঘোষণা করে ৷

আরও পড়ুন - #IPLAuction2020: আইপিএলের নিলাম, এই ‘কোটিপতি’ ক্রিকেটাররা কি এবার দল পাবেন!

অক্ষয় ঠাকুরের আইনজীবী জানিয়েছেন তাঁর মক্কেল দিল্লির জেলে রয়েছে ৷ সেখানে তাঁকে যদি ফাঁসি দেওয়া হয় সেটা একেবারে ঠান্ডা মাথায় খুন করার মতো ৷ সে বদলে যাওয়ার কোনও সুযোগই পাচ্ছে না ৷ আইনজীবী জানিয়েছেন],‘মহিলাদের বিরুদ্ধে যারা কোনও কিছু করছে তাদের মেরে কোনও কিছু হবে না , রাজ্যকে সিস্টেম মেনে বদলের চেষ্টা করতে হবে ৷ যাতে পুরো সমাজ বদলায় ৷ ফাঁসি শুধুমাত্র অপরাধীদের শেষ করে অপরাধকে নয় ৷ ’

মৃত্যুর সাজা না দিয়ে অন্য কোনও সাজা দেওয়া হক এই নীতি মেনেই এই আবেদন করেছে অক্ষয় ঠাকুরের আইনজীবী ৷ সমস্ত রকম আবেদন শেষ হয়ে গেলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা করতে পারবে এই অপরাধীরা ৷ এরপরেই স্থানীয় আদালতের থেকে মঞ্জুরি নিয়ে ফাঁসির সাজা কার্যকর করতে পারবে ৷

আরও দেখুন

First published: December 17, 2019, 9:39 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर