• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • ১১ বছর বাদে বিচার! মেয়েকে ধর্ষণ করতে এসেছিল তাকে খুন করেছিল, ৭০ বছরের বৃদ্ধার যাবজ্জীবন

১১ বছর বাদে বিচার! মেয়েকে ধর্ষণ করতে এসেছিল তাকে খুন করেছিল, ৭০ বছরের বৃদ্ধার যাবজ্জীবন

70 years old woman gets life imprisonment- Photo- Representattive

70 years old woman gets life imprisonment- Photo- Representattive

70 year old woman to life imprisonment: এই ঘটনার দুই সাক্ষী কস্তুরীর মেয়ে ও ছেলে জানিয়েছে প্রবীন রেপ করতে চেয়েছিল৷

  • Share this:

    #কলকাতা: উত্তরপ্রদেশের এক কোর্ট ৭০ বছরের বিধবাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে ( 70 year old woman to life imprisonment) দণ্ডিত করল৷  ২০১০ সালে তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ (rape) করতে চেষ্টায় করায় তিনি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলেন , সেই হত্যার অভিযোগে তাঁর যাবজ্জীবন হল৷

    বুলন্দশহরের অতিরিক্ত সেশনস কোর্টের বিচারপতি রাজেশ্বর শুক্লা এই রায়দান করেছেন৷ এই অর্ডারে জানা সাজাপ্রাপ্ত ৭০ বছরের বৃদ্ধা মহিলা-র ( 70 year old woman) নাম কস্তুরী দেবী ৷ তিনি প্রবীন কুমারকে কুঠার দিয়ে বারবার আঘাত করে হত্যা করেন৷ ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালের ৩১ জুলাই৷ সেই সময় শাস্তিপ্রাপ্ত মহিলার বয়স ছিল ৫৯ বছর৷ আর যে মারা গিয়েছিল তার বয়স ছিল ২০ বছর৷ বুলন্দশহরের অনুপশহর পুলিশ স্টেশনে ওই প্রৌঢ়া মহিলা সেই সময়ে গিয়েই আত্মসমর্পণ করেছিলেন৷ তিনি যে ওই যুবককে খুন করেছিলেন সে কথা সেখানে গিয়ে জানান৷

    আরও পড়ুন- আমার পুরো হৃদয় ট্যাগলাইন দিয়ে Virat ও Vamika-র খেলার ছবি পোস্ট Anushka-র, ভাইরাল

    সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ি পুলিশ কোর্টকে জানায় শাস্তি পাওয়া মহিলা প্রবীন কুমারকে আক্রমণ করে৷ সে মহিলার বাড়ি পৌঁছে যায় মাঝরাতে, সেখানে তাঁর মেয়েকে ধরে যৌন উৎপীড়ন শুরু করে৷ তখন দেবী ওই মহিলাকে কুঠার দিয়ে আঘাত করে৷ একের পর আঘাতে তার মৃত্যু হয়৷ কোর্টের অর্ডারে বলা হয়েছএ দেবীর মেয়ে সেই সময় মাত্র ২০ বছরের ছিল৷

    আরও পড়ুন - Explained: প্রতিনিয়ত কী ভাবে বাড়ছে বায়ু দূষণ? কেন নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?

    ট্রায়াল পর্ব শেষ হ ১১ বছর ধরে, এই পর্বে ওই মহিলার বিয়ে হয় তাদের সন্তানও রয়েছে৷ কোর্ট নিহতের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বলা হয়েছে নিহতের শরীরে পাঁচটি গভীর ক্ষতচিহ্ন ছিল৷ যা তার ঘাড়ের ওপরে ছিল৷ তার মেয়েকে ধর্ষণে যে উদ্যত হয়েছিল তাকে আটকানোর জন্য এই ধরণের আক্রমণ কোনও প্রয়োজন ছিল না মত কোর্টের৷ কোর্টের বক্তব্য এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে বড় কোনও চক্রান্ত কাজ করছে৷

    কোর্টের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘‘প্রবীনকে পাঁচবার ঘাড়ের কাছে আঘাত করা হয়েছিল তাতে তার তাৎক্ষণিক মৃত্যু হয়৷ যদি কস্তুরীকে রেপ আটাকাতে হত তাহলে অতবার ধরে নিহতকে মারতে হত না৷ এই ঘটনা এড়ানো যেত৷ পরিবার নিহতের শরীর বাইরে এনে সাহায্যের জন্য চেঁচামেচি শুরু করে যখন প্রবীন মারা যায়৷ এটা একদম প্ল্যানড একটা চক্রান্ত৷’’

    এই ঘটনার দুই সাক্ষী কস্তুরীর মেয়ে ও ছেলে জানিয়েছে প্রবীন রেপ করতে চেয়েছিল৷ তাদের মা সেই ঘটনা আটকাতেই আক্রমণ হয় এবং মহিলা তাকে কুঠার দিয়ে আঘাত করেন৷

    Published by:Debalina Datta
    First published: