• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • Coronavirus Third Wave: করোনা আবহে বার বার হাত ধুয়ে কি ত্বকের সমস্যা হচ্ছে? জেনে নিন কী ভাবে হাত ভালো থাকবে!

Coronavirus Third Wave: করোনা আবহে বার বার হাত ধুয়ে কি ত্বকের সমস্যা হচ্ছে? জেনে নিন কী ভাবে হাত ভালো থাকবে!

Coronavirus Third Wave| Covid-19 Third Wave| Life Style: জেনে নেওয়া যাক বার বার হাত ধোয়ার জন্য আমাদের কী কী সমস্যা হতে পারে।

Coronavirus Third Wave| Covid-19 Third Wave| Life Style: জেনে নেওয়া যাক বার বার হাত ধোয়ার জন্য আমাদের কী কী সমস্যা হতে পারে।

Coronavirus Third Wave| Covid-19 Third Wave| Life Style: জেনে নেওয়া যাক বার বার হাত ধোয়ার জন্য আমাদের কী কী সমস্যা হতে পারে।

  • Share this:

#কলকাতা: স্বাস্থ্যের সুরক্ষাবিধির কথা ভেবে হাত ধোয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রাথমিক কৌশল হিসাবে গত বছর থেকে আমাদের কাছে হাত ধোয়ার গুরুত্ব আরও বেড়ে গিয়েছে। আসলে অতিমারী যে আমাদের জীবনে পরিবর্তন এনেছে তা বলাই বাহুল্য। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার একটি কার্যকর উপায় হিসাবে আমরা ক্রমাগত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সচেতন হয়েছি। তবে বেশিবার হাত ধোয়ার ফলে যে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে সেদিকে অনেক সময় খুব একটা খেয়াল করি না। তাই অনেকেরই ঘন ঘন হাত ধোয়ার জন্য ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুলকানি এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যা হতে দেখা যাচ্ছে। আসলে বেশিবার হাত ধোয়ার জন্য ত্বকের আদ্রর্তা হারিয়ে যায় বলে হাত শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে। ঘন ঘন অ্যালকোহল ভিত্তিক স্যানিটাইজার ব্যবহারেও ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক বার বার হাত ধোয়ার জন্য আমাদের কী কী সমস্যা হতে পারে।

ত্বকে চুলকানি হতে পারে, ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, ফুসকুড়িও হতে পারে। ত্বকের লিপিড নষ্ট হতে পারে। ফলে ত্বক কেটে যেতে পারে।

যাঁরা একজিমায় ভুগছেন যেমন অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস, সোরিয়াসিস, ইত্যাদি হলে সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। সাবানের রাসায়নিকগুলির জন্য ত্বকের স্বাভাবিক আদ্রর্তা হারিয়ে যায়।

যে সব সাবানে সোডিয়াম লরিল সালফেট, সোডিয়াম লরেথ সালফেট, সুগন্ধি, ট্রাইক্লোসানের মতো উপাদান রয়েছে সেগুলি সত্যিই ত্বকের ক্ষতি করতে পারে, এপিডার্মাল ত্বকের কোষের ক্ষতি করতে পারে এবং ত্বকের পিএইচ বাড়িয়ে দেয়। ফলে, শুষ্কতা, ছাল উঠে যাওয়ার পাশাপাশি গুরুতর একজিমা হতে পারে।

অতিরিক্ত হাত ধোয়ার কারণে হওয়া সমস্যা নিরাময়ে কয়েকটি নিয়ম, হাত নরম রাখতে প্রতিবার হাত ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। সেক্ষেত্রে একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যায়। কারণ এটি শুধু ময়েশ্চারাইজ করবে না, একই সঙ্গে ত্বককে সতেজও রাখবে। ঘুমানোর মধ্যে হাত ঠিক করতে রাতে হাত ধুয়ে ভালো করে ভারী ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে।

একটি মৃদু হ্যান্ড ওয়াশ অথবা সাবান এবং গন্ধবিহীন হ্যান্ড ওয়াশ ব্যবহার করা উচিত।

হাত ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুছে নিতে হবে যাতে হাতের অণুজীব এবং ত্বকে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়।

হাত ধোয়ার পর না ঘষে খুব হালকা ভাবে নিজস্ব তোয়ালে কিংবা পেপার তোয়ালে দিয়ে মুছতে হবে।

সিরামাইড ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার, হাইড্রোপনিক অ্যাসিড, ভিটামিন ই, কোকো বাটার, শিয়া বাটার ভিত্তিক ঘন ময়েশ্চারাইজার, মুপিরোসিন ক্রিম ব্যবহার করতে হবে এবং যদি একজিমা হয় তাহলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস আসার আগেও রোগ প্রতিরোধের একটি কার্যকরী উপায় হিসাবে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ১৫ অক্টোবর হাত হাত ধোয়ার দিবস পালিত হত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানিয়ে হয়েছে যে হাত হল জীবাণু ছড়ানোর প্রধান পথ এবং তাই সংক্রমণ এড়াতে হাত ধোয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই নিজেদের সুরক্ষার জন্য হাত ধোয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনই ত্বকের যত্ন নেওয়াও জরুরি।

Published by:Arjun Neogi
First published: