৫০%, ২৫%, ১৮%, ১০%, na ৩%...? ভারতীয় পণ্যের উপর আজকের তারিখে 'ট্যারিফ' কত? ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সুপ্রিম রায়ে কী প্রভাব? জানুন!
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
USA India Tariff Rate: মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশের উপরে ইচ্ছেমতো ট্যারিফ চাপানোর নির্দেশ খারিজ করে বেআইনি ঘোষণা করে দিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট৷ এই মুহূর্তে কত দাঁড়াচ্ছে ভারতের পণ্যের রফতানি 'শুল্ক'? জানুন সবিস্তার।
advertisement
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন শুল্ক হারে বেশ উল্লেখযোগ্য ওঠানামা লক্ষ্য করা গিয়েছে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রফতানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বেশ বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের নেওয়া সিদ্ধান্তের পর, ভারতীয় পণ্যের উপর কার্যকর শুল্ক মোস্ট ফেভারড নেশন (MFN) স্তরে অর্থাৎ প্রায় ৩ শতাংশে কমিয়ে আনা হয়েছে যেখানে গত অগাস্ট মাসেই এই শুল্ক ৫০ শতাংশে পৌঁছেছিল।
advertisement
advertisement
advertisement
এই ৫০ শতাংশ ট্যারিফে ২৫ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক এবং ভারতের রাশিয়ার তেল আমদানির সঙ্গে সম্পর্কিত আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক অন্তর্ভুক্ত ছিল। এরপর গত ৬ ফেব্রুয়ারি জারি করা একটি আদেশের ভিত্তিতে, রাশিয়ার তেল আমদানির সঙ্গে সম্পর্কিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কটি প্রত্যাহার করা হয়। ফলত কার্যকর শুল্ক ২৫ শতাংশে নেমে আসে।
advertisement
advertisement
advertisement
বিশ্বের সব দেশের বিরুদ্ধে ইচ্ছেমতো ট্যারিফ চাপানো নিয়ে কড়া রায় দিয়েছে সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট। যাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ‘ট্যারিফ’ সম্পূর্ণ বেআইনি। মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি না নিয়ে দেশের এক বিশেষ আইনকে অন্যায় ভাবে ‘ব্যবহার’ করেছেন ট্রাম্প৷ সেই কারণে এতদিন পর্যন্ত যে সমস্ত দেশের উরে অনৈতিক ভাবে ট্রাম্প ট্যারিফ চাপিয়েছিলেন, সবই বাতিল করে দিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট৷
advertisement
ট্রাম্পের শুল্কনীতি বলতে কী বোঝায়?ট্রাম্পের শুল্ক আদতেবিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত আমদানি শুল্ক। এর মূল উদ্দেশ্য হল বিদেশী পণ্যের দাম বাড়িয়ে আমেরিকান কোম্পানি এবং শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা প্রদান করা। এই নীতি ট্রাম্পের "আমেরিকা ফার্স্ট" অর্থনৈতিক কৌশলের অংশ।
advertisement
ডোনাল্ড ট্রাম্প কেন শুল্ক আরোপ করলেন?বিভিন্ন দেশের উপর শুল্ক আরোপের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস করা, দেশীয় উৎপাদন খাতকে শক্তিশালী করা, বিদেশী দেশগুলির সঙ্গে, বিশেষ করে চিনের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নত করা এবং আমেরিকার দেশীয় কর্মসংস্থান রক্ষা করা। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি আমেরিকার কাছে অনৈতিক ভাবে বাণিজ্য সুবিধা ভোগ করছে বেশ কয়েকটি দেশ।
advertisement
কোন কোন পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল?ট্রাম্প প্রশাসন ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম, ইলেকট্রনিক্স ও যন্ত্রপাতি, সোলার প্যানেল এবং ওয়াশিং মেশিন এবং চিন থেকে আমদানি করা কোটি কোটি ডলার মূল্যের পণ্য-সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছে, যা বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে ব্যাহত করেছে।
advertisement
নতুন বৈশ্বিক শুল্ক এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব:তবে, এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ১২২ ধারার অধীনে ১০ শতাংশ বিশ্বব্যাপী শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ইতিমধ্যেই। মার্কিন কংগ্রেস যদি এটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে এই শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিন কার্যকর থাকতে পারে।
advertisement







