Coronavirus-র দাপট কমাতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বাজার বন্ধ, কবে কোন বাজার খোলা থাকবে জানুন

Market will open on rotation basis in siliguri due to coronavirus cases are still there

করোনা গ্রাফ (coronavirus) অপরিবর্তিত পাহাড় থেকে সমতলে, শিলিগুড়িতে (Siliguri) ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সাপ্তাহিক বাজার, মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্ত ৷

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলে কমছে না করোনার দাপট। আক্রান্তের সংখ্যা কার্যত অপরিবর্তিত। মৃত্যুও হচ্ছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় সাপ্তাহিক বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল জেলা প্রশাসন। শিলিগুড়ি ও মাটিগাড়ার ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক জেলাশাসকের। এবার থেকেই দফায় দফায় বন্ধ থাকবে শহরের বিভিন্ন বাজার। এক এক দিন বন্ধ থাকবে এক একটি বাজার, মার্কেট। বন্ধের দিন স্যানিটাইজ করা হবে সংশ্লিষ্ট বাজার। বৈঠক শেষে জানান জেলাশাসক এস পুন্নমবালাম। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন।

সেইসঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশিকা প্রতিটি ব্যবসায়ীকেই মাস্ক পড়ে ব্যবসা করতে হবে এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। নিয়ম ভাঙলেই নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা। ইতিমধ্যেই বন্ধ ছিল স্টেশন বাজার (বাগরাকোট), চম্পাসারি মোড়, চম্পাসারি এস.জে.ডি.এ. মার্কেট, নিবেদিতা রোড সব্জি বাজার, ঝংকার মোড় সব্জি বাজার, সুভাষপল্লী, রবীন্দ্রনগর ও রথখোলা বাজার। মঙ্গলবার বন্ধ থাকছে ডি.আই.ফান্ড. পুরাতন বাজার, ডি.আই.ফান্ড. শিবাজী মার্কেট (সব্জি), জলপাইমোড় ও এন.জে.পি. স্টেশন মার্কেট।  বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে হায়দারপাড়া বাজার, ঘোগোমালী বাজার, গুরুংবস্তী বাজার, ডি.আই.ফান্ড. মার্কেট (কলাহাটি), ডি.আই.ফান্ড. মার্কেট (মুড়িহাটি ও চালহাটি), এন.জে.পি. গেটবাজার এবং সব্জি বাজার। শুক্রবার বন্ধ থাকবে মহাবীরস্থান বাজার ও টিকিয়াপাড়া বাজার। আগামী শনিবারে শান্তিনগর বৌ-বাজার বন্ধ থাকবে।

এদিন জেলাশাসক বারো জানান, আপাতত শিলিগুড়ি মহকুমার খড়িবাড়ি, নকশালবাড়ি এবং ফাঁসিদেওয়া ব্লকে কোভিডের প্রকোপ কম। তবে নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোভিডের সংক্রমণ কমাতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে পাহাড়ি এলাকাতেও। ১০ নং জাতীয় সড়কের মল্লি, রংপোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি বিজনবাড়ির বাংলা-সিকিম সীমান্তেও চলছে কড়া নজরদারি। সিকিম থেকে শিলিগুড়ি বা দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে আসা পর্যটক সহ সাধারণ যাত্রীদের থার্মাল চেকিং করা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে টিকার ডবল ডোজের সার্টিফিকেট অথবা শেষ ৭২ ঘণ্টার আরটিপিসিআর রিপোর্ট। নইলে সীমান্তেই করা হচ্ছে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট। রিপোর্ট নেগেটিভ এলেই এই রাজ্যে আসতে পারবে।

 Partha Sarkar

Published by:Debalina Datta
First published: