Covishield vs Covaxin: কোভিশিল্ড না কোভ্যাকসিন কোন টিকাটি নেবেন? খুঁটিনাটি জেনে নিজেই বিচার করুন

Covishield vs Covaxin: কোভিশিল্ড না কোভ্যাকসিন কোন টিকাটি নেবেন? খুঁটিনাটি জেনে নিজেই বিচার করুন

কোভিশিল্ড না কোভ্যাকসিন, কোন টিকাটা নেবেন আপনি?

আমরা দুটি টিকার দাম, কার্যকারিতা-সহ দুটি ভ্যাকসিনেরই খুঁটিনাটি সমস্ত তথ্য রাখলাম পাঠকের সামনে। পাঠক নিজেই বিচার করুন তিনি কোন টিকাটি নেবেন।

  • Share this:

    #কলকাতা: আর মাত্র দু'দিন। তারপর থেকে খোলাবাজারেই মিলবে করোনার ভ্যাকসিন। ১৮-ঊর্ধ্ব যে কেউ নিতে পারবেন করোনার ভ্যাকসিন। আজ ২৮ এপ্রিলই শুরু হচ্ছে CoWin ওয়েবসাইট বা Arogya Setu অ্যাপে নিজেদের নাম নথিভুক্তকরণ এর পাশাপাশি, ৪৫ বছরের উপরে প্রত্যেক নাগরিক, স্বাস্থ্যকর্মী সহ করোনা যোদ্ধাদের টিকা দেওয়ার যে প্রক্রিয়া কেন্দ্রীয় সরকার চালাচ্ছে, তা চলবে৷ কিন্তু আপনি খোলাবাজার থেকে নিতে গেলে কোন টিকাটা নেবেন, এই নিযে দোলাচল রয়েছেই। আমরা দুটি টিকার দাম, কার্যকারিতা-সহ দুটি ভ্যাকসিনেরই খুঁটিনাটি সমস্ত তথ্য রাখলাম পাঠকের সামনে। পাঠক নিজেই বিচার করুন।

    কোভিশিল্ড

    অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার তৈরি এই ভ্যাকসিনের প্রস্তুতকারক সিরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া। শিম্পাঞ্জির শরীরে অ্যাডিনোভাইরাস বলে একটি ভাইরাসকে মিউটেশান ঘটিয়ে এই প্রতিষেধর তৈরি হয়েছে বলে জানাচ্ছে বিবিসি।

    কী ভাবে কাজ করে

    এই টিকাটি নেওয়ার পর থেকেই শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া শুরু হয়। এই অ্যান্টিবডিই করোনা প্রতিহত করতে সাহায্য করে শরীরকে।

    কার্যকারিতা

    মনে করা হচ্ছে এই টিকা কমপক্ষে ৭০ শতাংশ কার্যকরী। প্রথম ডোজটি নেওয়ার পর বিধি অনুয়ায়ী বিরতি নিয়ে পরের ডোজটি নিলে কার্যকারিতা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে।

    স্টোর

    এই ভ্যাকসিনটি ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মজুত করার নিয়ম।

    দাম

    সিরাম ইন্সটিটিউট এই ভ্যাকসিনটি ৪০০ টাকা করে দেবে রাজ্যকে। আর বেসরকারি হাসপাতালগুলি এই ভ্যাকসিন পাবে ৬০০ টাকায়।

    ‌কোভ্যাকসিন

    এই ভ্যাকসিনটিকে চিকিৎসা পরিভাষায় ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিন বলা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছে মৃত করোনাভাইরাস থেকে তৈরি এই ভ্যাকসিনটি। ভারতীয় বায়োটেকনোলজি সংস্থা ভারত বায়োটেক এই ভ্যাকসিনটি প্রস্তুতকারক।

    কী ভাবে এই ভ্যাকসিন কাজ করে

    নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বলছে, শরীরে প্রবেশ করামাত্রই এই ভ্যাকসিন সার্স কোভ-২ ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে থাকে। অ্যান্টিবডি ভাইরাল প্রোটিনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যায় এক্ষেত্রে। বলা চলে স্পাইক প্রোটিনটিকে সংযুক্ত করে তার কার্যকারিতা নষ্ট করে।

    কার্যকারিতা

    কমপক্ষে ৭৮ শতাংশ কার্যকারিতা রয়েছে এই ভ্যাকসিনের। জরুরি পরিস্থিতিতে এই ভ্যাকসিন ১০০ শতাংশ কাজ করে বলে জানাচ্ছেন নির্মাতারা।

    স্টোর

    ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এই ভ্যাকসিন মজুত করাই নিয়ম।

    দাম

    কোভ্যাকসিনের দাম তুলনায় বেশি রাজ্যগুলিকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে ৬০০ টাকায়। আর বেসরকারি হাসপাতাল এই ভ্যাকসিন পাবে ১২০০ টাকায়।

    Published by:Arka Deb
    First published: