করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

এখনও বাজারে আসেনি কোনও ভ্যাকসিন, করোনা থেকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখব বাড়ির ছোটদের? জানাচ্ছেন শিশু বিশেষজ্ঞ

এখনও বাজারে আসেনি কোনও ভ্যাকসিন, করোনা থেকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখব বাড়ির ছোটদের? জানাচ্ছেন  শিশু বিশেষজ্ঞ

বাড়িতে কারোর করোনা হলে তাহলে বাচ্চাদের কী করব? কিংবা যদি শিশুর শরীরেই যদি সংক্রমণ ঘটে সেক্ষেত্রেই বা কি করা উচিত? জানাচ্ছেন বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ শিবনাথ গায়েন

  • Share this:

 করোনা ‘দৈত্য’র তান্ডবে বাড়িতে বন্দি ছোটরা ৷ কিন্তু তবুও যে সঙ্কট কাটছে না ৷ কোন ছিদ্রপথে কখন যে বিপদ এসে ঢোকে বাড়িতে সেই আতঙ্কে অভিভাবকেরা ৷ এখনও বাজারে আসেনি কোনও ভ্যাকসিন, করোনা থেকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখব বাড়ির ছোটদের? বাড়িতে কারোর করোনা হলে তাহলে বাচ্চাদের কীভাবে রাখা উচিত? কিংবা যদি শিশুর শরীরেই সংক্রমণ ঘটে সেক্ষেত্রেই বা কি করা উচিত? জানাচ্ছেন  বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ শিবনাথ গায়েন, আরজিকর মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের চিকিৎসক এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ৷

১) শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কিভাবে সম্ভব?

উত্তরঃ- করোনা ভাইরাস রোগটা যেহেতু শীতকালে থেকে শুরু হয়েছে। সেই সময় বাচ্চাদের স্কুলের সমস্ত পরীক্ষা প্রায় সমাপ্ত হয়ে গিয়েছিল ।তাই ছুটি থাকায় তারা এক প্রকার হোম আইসোলেশন  চলে গিয়েছিল । তাতেই তাদের সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়। কোন ভাইরাসকে মানব দেহের কোষে প্রবেশ করতে হলে একটা রিসেপ্টর  এর সাথে লাগতে হয়। যার নাম  ACE2 রিসেপ্টর । দেখা গেছে শিশুদের কোষের গায়ে এই প্রকার রিসেপ্টর খুব কম থাকায়  করোনাভাইরাস ঠিক মতো লাগতে পারে না ।তাই ভাইরাস সংক্রমণের পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো আর ত্বরান্বিত হতে পারে না। এছাড়াও সারা বছরই কোনও না কোনও ভাইরাস সংক্রমণে বাচ্চারা ভুগতে থাকে তার থেকেও যে প্রতিরোধ ক্ষমতা পায় বাচ্চারা এটাও বাচ্চাদের সংক্রমণ প্রতিরোধের একটা কারণ হতে পারে বলে মনে হয়।

২)শিশু কোনও করোনা সংক্রমিতের সংস্পর্শে এলে কী করা উচিত?

উত্তরঃ- সংক্রমিত মানে করোনা পজিটিভ লক্ষণ থাক বা না থাক, প্রতিরোধক নিতে হবে। যদি কোনও বাচ্চা  করোনা সংক্রমিতের এক মিটারের মধ্যে ১৫ মিনিটের বেশি থাকে তাহলে তাকে সন্দেহের তালিকায় রাখতে হবে | বাচ্চাটি যদি ১৮ বছরের নিচে হয় এবং বুঝতে শেখে তাহলে  তাকে আলাদা করে ঘরেই রাখা যায়। মোট ১৪ দিন সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে।

৩) করোনা আক্রান্ত হলেও কী ধরনের সুষম খাদ্য দিলে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা বজায় থাকবে ?

উত্তরঃ- সংক্রমণের সময় এমনিতেই মুখের স্বাদ চলে যায়। নতুন কোনও খাবার না দেওয়াই ভালো, রোজ যা খায় তার সঙ্গে মাছ মাংস সবজি দেওয়া যেতে পারে। কমলালেবু বা মুসাম্বি লেবুর রস দেওয়া যেতে পারে। তবে সেই সময় আলাদা করে ভিটামিন দেওয়ার দরকার নেই।

৪) লকডাউন উঠে গেলে শিশুদের কিভাবে বোঝানো যাবে যাতে করে ওরা ব্যাপকহারে মেলামেশা থেকে এড়িয়ে চলতে পারে?

উত্তরঃ- করোনা ভাইরাস সভ্য সমাজে কতগুলো নিয়মের জন্ম দিয়েছে। যেগুলো ছোট থেকে বড় সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। দৈহিক দূরত্ব বজায় রাখা,হাত ধোয়া, স্যানিটাইজার ব্যবহার করা এগুলো সমস্ত স্কুলেও ব্যবহার করতে হবে লকডাউন উঠে গেলে।

৫)কোন শিশুর করোনা সংক্রমণ দেখা দিলে কি তার সঙ্গে তার বাড়ির লোক অথবা মা থাকতে পারে? যদি না পারে সে ক্ষেত্রে শিশুকে কিভাবে সামলাতে হবে ?

উত্তরঃ- সংক্রমিত শিশুর সঙ্গে সমস্ত প্রটেক্টর নিয়ে মা থাকতেই পারে। তবে, একটু ঝুঁকি থেকেই যায়।আর তাই স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে।

৬)করোনা সংক্রমণ থেকে সেরে উঠলেও সেই শিশুর কি পরবর্তীকালে শারীরিক সমস্যায়  হতে পারে ?

উত্তরঃ- কোন সমস্যা হওয়ার কথা না।

Published by: Elina Datta
First published: May 16, 2020, 4:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर