Bharat Sevashram Sangha : ঢুকছে মাছ-মাংস-ডিম! শতবর্ষের নিয়ম ভেঙে করোনা রোগীদের পাশে ভারত সেবাশ্রম!

১০৪ বছরের নিয়ম ভেঙে করোনা-সেবায় সংঘ Photo : Collected

স্বামী প্রণবানন্দজি মহারাজ এই সংঘের প্রতিষ্ঠা করেন ১৯১৭ সালে ৷ আর সেই থেকেই আমিষ খাবারের (Non-veg Food) প্রবেশ নিষেধ এখানে৷ তবে, এবার করোনা আক্রান্তদের (Covid-19 Patients) জন্য দরজা খুলে দিয়েছে সংঘ (Bharat Sevashram Sangha)।

  • Share this:

    #কলকাতা : প্রথম নিয়ম ভাঙল ভারত সেবাশ্রম সংঘ (Bharat Sevashram Sangha)। করোনা রোগীদের জন্য ১০৪ বছর ধরে চলতে থাকা নিয়ম বদলে ফেলা হল৷ স্বামী প্রণবানন্দজি মহারাজ এই সংঘের প্রতিষ্ঠা করেন ১৯১৭ সালে ৷ আর সেই থেকেই আমিষ খাবারের (Non-veg Food) প্রবেশ নিষেধ এখানে৷ তবে, এবার করোনা আক্রান্তদের (Covid-19 Patients) জন্য দরজা খুলে দিয়েছে সংঘ (Bharat Sevashram Sangha)। আর সেই জন্যেই মানুষকে সুস্থ করে তোলার তাগিদে প্রথা ভাঙল এই সর্বভারতীয় সংঘ৷

    শুক্রবারই গড়িয়ার অবস্থিত ভারত সেবাশ্রম সংঘে কোভিড হাসপাতাল খুলেছে আশ্রম কর্তৃপক্ষ৷ এখানে দু'টি তলায় কোভিড রোগীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ এই হাসপাতালের পরিকল্পনা আর রূপায়ণের পেছনে রয়েছেন আশ্রমের প্রাক্তন ছাত্র রাজীব দত্ত৷ আর সহযোগিতা করছে অ্যাথেনা এডুকেশনাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট৷ শুক্রবার ২৫ বেডের সেফ হোমের উদ্বোধন করেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ। উপস্থিত ছিলেন সংঘের গড়িয়া শাখার প্রধান স্বামী গিরিশানন্দ।

    কোভিড হাসপাতাল খুলেছে আশ্রম কর্তৃপক্ষ Photo : Collected কোভিড হাসপাতাল খুলেছে আশ্রম কর্তৃপক্ষ
    Photo : Collected

    প্রথমে জায়গা অনুযায়ী ২৫টি বেড বরাদ্দ করা হলেও পরে আরও ৫টি বেড বাড়ানো হয়৷ এর মধ্যে ২০টি বেডে অক্সিজেনের ব্যবস্থা রয়েছে৷ যে সব রোগীদের শরীরে অক্সিজেনের স্যাচুরেশনের মাত্রা ৮৫-র বেশি, অথচ কোমর্বিডিটির কারণে বাড়িতে রাখা সম্ভব নয়, সারাক্ষণ চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ দরকার, সেরকম রোগীদের ভর্তি করা হচ্ছে এই আশ্রমের হাসপাতালে৷ এখনও অবধি ৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এখানে৷ ২৪ ঘণ্টা থাকছেন ৪ জন নার্স-সহ ২ জন চিকিৎসক৷ তাঁদের সহযোগিতা করছেন আশ্রমের ১২ জন স্বেচ্ছাসেবক৷ এখানে সম্পুর্ন বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়া হবে।

    নিয়ম মতোই করোনা রোগীদের জন্য প্রোটিন যুক্ত খাবার দরকার। চিকিৎসকদেরও পরামর্শ, করোনা রোগীদের শরীরে নতুন কোষ তৈরিতে প্রোটিন জাতীয় খাবার দরকার। ফলে ডিম, মাংস, মাছ মতো খাবার খুবই প্রয়োজন। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত। তাই স্বামীজিরা আশ্রমে ডিম, মাছ, মাংস আনছেন৷ তাঁদের মতে এখন ধর্মীয় রীতিনীতির থেকেও রোগীদের সুস্থ করার প্রয়োজন বেশি গুরুত্বপূর্ণ৷

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: