• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • নদী সাঁতরে পেরিয়ে অসমে এসে বাংলাদেশির করুণ আবেদন ‘আমার করোনার চিকিৎসা করুন’

নদী সাঁতরে পেরিয়ে অসমে এসে বাংলাদেশির করুণ আবেদন ‘আমার করোনার চিকিৎসা করুন’

Photo- Representive

Photo- Representive

গায়ে জ্বর ছিল ক'দিন তাই এভাবে মরিয়া হয়েছিলেন তিনি

  • Share this:

    #করিমগঞ্জ : সারা দুনিয়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে প্রায় টালমাটাল ৷ একাধিক প্রথম বিশ্বের দেশ করোনা ভাইরাসের দাপটের সামনে কার্যত মাথা হেঁট করে নতি স্বীকার করে নিয়েছে ৷ ভারতও নিজের মতো করে এই অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে ৷ অনেক উন্নত দেশের চেয়েও এই মুহূর্তে ভারতে করোনা সংক্রমণের ওপর অনেকটা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেরেছে ৷ আর ভারতের এই খবরের ওপর আস্থা রেখেই এক বাংলাদেশি যুবক প্রায় মরণপণ করে ভারতে চলে এল ৷

    বাংলাদেশি ওই যুবক কুশিয়ারি নদী সাঁতরে অসমের সীমা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন ৷ সেখান থেকে করিমপুর জেলার মুবারকপুরে পৌঁছন ৷

    সেখানে গ্রামবাসীদের জানান যে ওঁর করোনা হয়েছে ওঁকে সাহায্য করুন ৷ এই কথা শুনে গোটা গ্রাম ভয়ে কাঁপতে থাকে ৷ এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিএসএফ পৌঁছয় ৷ যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে ৷ তারপর অবশ্য বাংলাদেশি সেনা ডেকে যুবককে তাঁদের হাতে প্রত্যার্পণ করা হয় ৷

    আরও পড়ুন - করোনা যুদ্ধে শরিক জামাতিরাও , প্লাজমা দেবেন ২০০ জন

    যুবকের নাম আব্দুল হক - সে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা ৷ যেটা অসমের মুবারকপুর থেকে মাত্র চার কিলোমিটার দূরে ৷ বিএসএফের পক্ষ থেকে ডিআইজি জেসি নায়েক বলেছেন যুবকটি কুশিয়ারি নদী পেরিয়ে রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ভারতের সীমায় দাখিল হয় ৷ গ্রামের মানুষ তাঁকে অচেনা দেখে আটকায় ৷ তখন সে জানায় সে বাংলাদেশের নাগরিক ৷

    এরমধ্যেই গ্রামবাসীরা সেনাদের খবর দিয়ে দেয় ৷  সে তখন জানায় তার করোনা হয়েছে আর তার চিকিৎসা করাতে সে ভারতে এসেছে ৷ সেনা অবশ্য জানায়নি সত্যি সত্যিই সে করোনা আক্রান্ত কিনা ৷ এরপরেই বাংলাদেশের সেনার হাতে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় ৷

    নদীর জলস্তর এই সময় কুশিয়ারি নদীতে খুবই কম থাকে এমনটাই জানিয়েছেন ডিজি নায়েক ৷ বর্ষার সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই নদী বানভাসি হয় ৷ তাঁরা জানিয়েছেন যুবক যেখান দিয়ে ঢুকেছে সেখানে সীমান্তে কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা নেই ৷

    Published by:Debalina Datta
    First published: