Bangladesh Gift to India : প্রতিবেশীর 'রিটার্ন গিফট' ভারতকে! বাংলাদেশ পাঠাল ১০,০০০ রেমডিসিভির ইঞ্জেকশন...

আপৎকালে বন্ধুদেশের উপহার Photo: Twitter

করোনা অতিমারিতে (Coronavirus Pandemic) এই ইঞ্জেকশন ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। তিনি আগে বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে এই দেশের রক্ত ঋণের সম্পর্ক রয়েছে।

  • Share this:

    # বন্ধুদেশ বাংলাদেশ। বিপদে সবসময়ই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। করোনার (Coronavirus( প্রথম ঢেউ আছড়ে পড়তেও সাহায্য পাঠাতে কাল বিলম্ব করেনি ভারত। পড়শি দেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল এখানকার সরকার। এবার কার্যত তারই প্রতিদান দিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (Second Wave)-এর ফলে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে অক্সিজেন ও জরুরি ওষুধের আকাল। টালমাটাল হাল স্বাস্থ্য পরিষেবার।

    তারই মধ্যে এবার ভারতের পাশে দাঁড়াল বাংলাদেশ। কোভিড পরিস্থিতিতে ১০ হাজার রেমডিসিভির ইঞ্জেকশন তুলে দেওয়া হল ভারত সরকারের হাতে। কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনের মাধ্যমে তা তুলে দেওয়া হয়। ভারত–বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্তে আজ এই ইঞ্জেকশন তুলে দেওয়া হয় এদেশের পদস্থ কর্তাদের হাতে।

    জানা গিয়েছে, এই ১০ হাজার ইঞ্জেকশন বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে। প্রস্তুতকারী সংস্থার নাম–বেক্সিমকো। করোনা অতিমারিতে এই ইঞ্জেকশন ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আগে বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে এই দেশের রক্ত ঋণের সম্পর্ক রয়েছে। কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন। এই ইঞ্জেকশন ভারতে আক্রান্ত করোনা রোগীদের উপকারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এটাই প্রথম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সহায়তা। এখন ভারতে করোনা পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যেই দৈনিক করোনা সংক্রমণের হার চার লাখ ছাড়িয়ে গিয়েছে। মৃ্ত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ইঞ্জেকশনের এই সহায়তা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে তৃতীয় বারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ নেওয়ার পরই তাঁকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জানানোর বিষয়টি জানান প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব সারওয়ার সরকার জীবন।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: