Coochbehar News: দুই নদীর চোখ রাঙানিতে ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের

Last Updated:

টানা বৃষ্টির জেরে কোচবিহারের তুফানগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় আতঙ্কে ভুগছে গ্রামবাসীরা

+
বন্যা

বন্যা পরিস্থিতির সম্মুখীন বিস্তীর্ণ এলাকার জনজীবন!

কোচবিহার: গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের কমবেশি প্রায় সব নদীতেই জলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তারপরে বিপদে পড়েছে নদী সংলগ্ন এলাকার মানুষরা। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের রায়ডাক ও সংকোশ নদীর মিলন স্থলে টানা বৃষ্টির কারণে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিঘের পর বিঘে চাষের জমি জলের তলায় ডুবে আছে। অনেকেই বাড়ির মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে আটকে আছেন। কারণ, চলাচলের মূল রাস্তা নদী জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে। নদীর জল লোকালয়ে পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে। এই অবস্থায় অর্ধাহারে বা অনাহারে দিন কাটছে বহু মানুষের।
নদীর চোখ রাঙানিতে বিপর্যস্ত তুফানগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা আশিস বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে এই এলাকায় কোন‌ও নদী বাঁধ নেই। ফলে নদীর জল বাড়লেই তা লোকালয়ে ঢুকে যায়। এবারেও সেই এক অবস্থার কারণে আবাদি জমি সহ এলাকার মানুষের বসত বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন। গত পাঁচদিন ধরে এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলেও কোন‌ও প্রশাসনিক আধিকারিক এলাকা পরিদর্শনে আসেননি বলেও অভিযোগ। ত্রাণ না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ।
advertisement
advertisement
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা সুবোধ বর্মন বলেন, অন্যান্য সময় তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকলেও বর্ষাকালে নদীর জল বেড়ে ভয়ানক রূপ ধারণ করে রায়ডাক ও সংকোশ নদী। তখন চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে যায় নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের। এবারের ছবিটা তার চাইতে আলাদা কিছু নয়। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে না দিলে মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
advertisement
সার্থক পণ্ডিত
view comments
বাংলা খবর/ খবর/কোচবিহার/
Coochbehar News: দুই নদীর চোখ রাঙানিতে ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের
Next Article
advertisement
‘এক এক করে আমার সব সহ-অভিনেতা চলে যাচ্ছেন, এবার ধরমজিও চলে গেলেন...’, শোকাহত আশা পারেখ ভাগ করে নিলেন ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি
এক এক করে আমার সব সহ-অভিনেতা চলে যাচ্ছেন, এবার ধরমজিও চলে গেলেন, শোকাহত আশা পারেখ
  • এক এক করে আমার সব সহ-অভিনেতা চলে যাচ্ছেন

  • এবার ধরমজিও চলে গেলেন

  • শোকাহত আশা পারেখ ভাগ করে নিলেন ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি

VIEW MORE
advertisement
advertisement