• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • Investment Tips: ঝুঁকি এড়িয়ে বেশি রিটার্ন, এক নজরে দেখে নিন সুরক্ষিত বিনিয়োগের সেরা ৫ উপায়

Investment Tips: ঝুঁকি এড়িয়ে বেশি রিটার্ন, এক নজরে দেখে নিন সুরক্ষিত বিনিয়োগের সেরা ৫ উপায়

Representative Image

Representative Image

Types Of Investments: প্রভাকর তিওয়ারির (Prabhakar Tiwari) দেওয়া এই ৫ পরামর্শ মেনে চললে, যে কেউ হতে পারবে একজন স্মার্ট ইনভেস্টর।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: শেয়ার বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের মাধ্যমে বেশি রিটার্ন পেতে চাইলে দেখে নেওয়া যাক এই ৫ উপায় (Very Smart Investor)। অ্যাঞ্জেল ব্রোকিং-এর চিফ গ্রোথ অফিসার প্রভাকর তিওয়ারির (Prabhakar Tiwari, Chief Growth Officer, Angel One Ltd ) দেওয়া এই ৫ পরামর্শ মেনে চললে, যে কেউ হতে পারবে একজন স্মার্ট ইনভেস্টর।

১) স্টক ব্যাঙ্কিং অ্যাপ

যাঁরা প্রথমবার শেয়ার বাজারে (Stock Market News) বিনিয়োগ করতে চান, তাঁদের সবার প্রথমেই ডাউনলোড করতে হবে স্টক ব্যাঙ্কিং অ্যাপ (Stock Banking App)। এই স্টক ব্যাঙ্কিং অ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত খাতা খোলার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের বিনিয়োগ শুরু করা যাবে। বিনিয়োগ আর ব্যবসার জন্য স্টক ব্যাঙ্কিং অ্যাপের সাহায্যে বাজারের ওপর সব সময় নজর রাখা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন-গ্লাসটি নিজে নিজেই হঠাৎ পড়ে গেল ! লাউঞ্জ বারের ভৌতিক ঘটনার ভিডিও সুপার ভাইরাল

২) ঝুঁকি এড়িয়ে বেশি রিটার্ন পাওয়ার উপায়

বিনিয়োগ করার আগে শেয়ার বাজার সম্পর্কে ভালো করে জেনে নেওয়া দরকার। শেয়ার বাজারের নিয়ম ও বাজার সম্পর্কে জানতে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল সমাধান খুঁজে দেখে নেওয়া যেতে পারে। এখানে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের সকল নিয়মের বর্ণনা দেওয়া রয়েছে। এটি ভালো করে দেখে এবং যেখানে বিনিয়োগ করতে চান সেই সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিলে ঝুঁকির মাত্রা কমে যায়। শেয়ার বাজার সম্পর্কে ভালো করে জেনে সঠিক শেয়ারে বিনিয়োগ করলে বেশি রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৩) থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার

একজন স্মার্ট বিনিয়োগকারী হতে গেলে থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার করা দরকার। এটি বিভিন্ন ধরনের পোর্টফলিও তৈরি করতে এবং অন্তঃরাষ্ট্রীয় বাজারে বিনিয়োগ করতে সাহায্য করে। কারণ এই ধরনের থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্ম ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং অ্যাপের সঙ্গে লিঙ্ক করাতে সাহায্য করে। এর ফলে লম্বা সময়ের পোর্টফোলিও বানাতে সুবিধা হয়। এটি ইক্যুইটিতে বিনিয়োগ করার সর্বোত্তম মাধ্যমের মধ্যে একটি।

৪) স্টক ব্যাঙ্কিং অ্যাপের অ্যালার্ট

স্টক ব্যাঙ্কিং অ্যাপ ব্যবহার করার একটি প্রধান ফায়দা হল বাজার সম্পর্কে সব সময় অ্যালার্ট থাকা যায়। রোজকার কাজের মাঝেও এর মাধ্যমে শেয়ার বাজারের ওপর নজর রাখা যায়। স্টক ব্যাঙ্কিং অ্যাপে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইউজারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অ্যালার্ট অপশনের রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইউজারদের বাজারের সকল আপডেট জানতে সুবিধা হয়। এর ফলে কোথায় বিনিয়োগ করলে বেশি রিটার্ন পাওয়া যাবে তা সহজেই জানা যায়।

আরও পড়ুন- বিশ্বের প্রথম বিজনেস প্ল্যাটফর্ম লঞ্চ করল কলকাতা গ্লোবাল চ্যাপ্টার

৫) ডিজিটাল ব্রোকার গাইড

ডিজিটাল ব্রোকার বিনিয়োগ শিক্ষামঞ্চও প্রদান করে থাকে। এটি শেয়ার বাজারের জন্য গাইড করে নতুন বিনিয়োগকারীদের। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ গাইড করা হয় এর মাধ্যমে। এর মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজারের সকল খুঁটিনাটি শিখে একজন সফল বিনিয়োগকারী রূপে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

First published: