• Home
  • »
  • News
  • »
  • business
  • »
  • বছরে খরচ মাত্র ২৫ হাজার টাকা, প্রতি মাসে এই ব্যবসায় লাভ হবে ২ লাখ টাকা!

বছরে খরচ মাত্র ২৫ হাজার টাকা, প্রতি মাসে এই ব্যবসায় লাভ হবে ২ লাখ টাকা!

সম্প্রতি মৎস্য পালনে উৎসাহ বাড়ানোর জন্য ছত্তিসগড় সরকার এটাকে কৃষি রূপে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সম্প্রতি মৎস্য পালনে উৎসাহ বাড়ানোর জন্য ছত্তিসগড় সরকার এটাকে কৃষি রূপে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সম্প্রতি মৎস্য পালনে উৎসাহ বাড়ানোর জন্য ছত্তিসগড় সরকার এটাকে কৃষি রূপে স্বীকৃতি দিয়েছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ২৫০০০ টাকা বিনিয়োগ করে শুরু করা যায় এই ব্যবসা,প্রতি মাসে হবে ২ লাখ টাকা আয়। মৎস্য পালনের ব্যবসায় প্রতি বছরে মাত্র ২৫,০০০ টাকা খরচ করে প্রায় ১,৭৫ লাখ টাকা উপার্জন করা সম্ভব। বর্তমানে এই মৎস্য পালন ব্যবসা খুব তেজ গতির সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকেও মৎস্য পালন ব্যবসায় বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করা হয়। সম্প্রতি মৎস্য পালনে উৎসাহ বাড়ানোর জন্য ছত্তিসগড় সরকার এটাকে কৃষি রূপে স্বীকৃতি দিয়েছে।

আরও পড়ুন: টাটার এই মাল্টিব্যাগার স্টক ১ বছরে দিয়েছে প্রায় ২০০০ শতাংশ রিটার্ন, দেখে নিন এক নজরে!

আয়ের উপায়

আগে থেকেই যাঁরা মৎস্য পালনের ব্যবসায় রয়েছেন এবং যাঁরা নতুন করে মৎস্য পালনের ব্যবসা শুরু করতে চান, তাঁদের অনুসরণ করতে হবে নির্দিষ্ট কয়েকটি উপায়। মৎস্য পালনের ব্যবসায় আয় বাড়ানোর জন্য আধুনিক টেকনিকের ব্যবহার করতে হবে। এর জন্য সবচেয়ে প্রচলিত আধুনিক টেকনিক হল বায়োফ্লক টেকনিক (Biofloc Technique)। অনেকেই এই টেকনিক ব্যবহার করে মৎস্য পালনের ব্যবসায় লাখ টাকার ওপরে আয় করছেন।

বায়োফ্লক টেকনিক

বায়োফ্লক আসলে একটি ব্যাকটেরিয়ার নাম। এই টেকনিকের মাধ্যমে মৎস্য পালনে বিশাল উপকার পাওয়া যাচ্ছে। এই টেকনিকে বড় বড় প্রায় ১০-১৫ হাজার লিটারের ট্যাঙ্কে মাছ ছাড়া হয়। এই ধরনের ট্যাঙ্কে জল ভরা, জল ছাড়া এবং অক্সিজেনে দেওয়ার উপযুক্ত ব্যবস্থা করা থাকে। বায়োফ্লক ব্যাকটেরিয়া মাছের মলকে বদলে দেয় প্রোটিনে। সেই প্রোটিন আবার মাছেরাই খেয়ে নেয়। এর ফলে মাছের খাবার খরচ বেঁচে যায় এবং জল অপরিস্কার হওয়ার হাত থেকেও বাঁচে। কিন্তু এই ধরনের প্রক্রিয়া একটু ব্যয়সাপেক্ষ হলেও, পরবর্তীকালে এর মাধ্যমে বিশাল পরিমাণে লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও  পড়ুন: Nykaa ও Zomato-র বদলে এই বছর অন্যান্য কোম্পানির IPO দিয়েছে বেশি ভালো রিটার্ন, দেখে নিন এক নজরে!

ন্যাশনাল ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (NFDB) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যদি কেউ এই বায়োফ্লক টেকনিকের মাধ্যমে ৭টি ট্যাঙ্ক নিয়ে ব্যবসা শুরু করে, তাহলে তার আনুমানিক প্রায় ৭.৫ লাখ টাকা খরচ হবে। কিন্তু কেউ মাটি কেটে পুকুর বানিয়ে মৎস্য পালনের ব্যবসা শুরু করলে, সেখান থেকেও তার মোটা আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২ লাখের বেশি আয়

একটি ছোট গ্রামের ছোট কৃষক দুর্গা প্রসাদ সিংহ মৎস্য পালনের ব্যবসা করে প্রতি মাসে ২ লাখ টাকার বেশি আয় করেছেন। তিনি প্রথমে যখন এই ব্যবসা শুরু করেছিলে তখন তাঁর কাছে ৪ একর জমি ছিল। তিনি প্রথমে ২ একর জমিতে পুকুর করে মৎস্য পালনের ব্যবসা শুরু করে। ধীরে ধীরে তাঁর ব্যবসা বাড়তে শুরু করে। ১০ বছর আগে তিনি মৎস্য পালনের ব্যবসা শুরু করেছিল। এখন সেই ব্যবসার থেকে দুর্গা প্রসাদ সিংহ প্রতি মাসে প্রায় ২ লাখ টাকার বেশি আয় করছেন।

আরও পড়ুন: ২০২২ হোক সুরক্ষিত, এক নজরে দেখে নিন নতুন বছরে কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করা দরকার!

মৎস্য পালনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন রকম সাহায্য প্রদান করে থাকে। যে রাজ্যে এই মৎস্যপালন ব্যবসা শুরু করা হবে, সেই রাজ্যের মৎস্য কার্যালয়ে সরকারি সাহায্যের বিষয়ে সমস্ত তথ্য জানা যাবে। মৎস্য পালনে উৎসাহ প্রদান করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্য ছাড়াও বিভিন্ন রকম সাহায্য প্রদান করা হয়।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: