বাজেট ২০২১: কর্পোরেট বিশেষজ্ঞ থেকে অর্থনীতিবিদ, কে কী আশা করছেন এবারের বাজেট থেকে?

বাজেট ২০২১: কর্পোরেট বিশেষজ্ঞ থেকে অর্থনীতিবিদ, কে কী আশা করছেন এবারের বাজেট থেকে?
বর্তমান বাজারের কথা মাথায় রেখে ফিস্কাল ডেফিসিটের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে

বর্তমান বাজারের কথা মাথায় রেখে ফিস্কাল ডেফিসিটের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেট সামনেই। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। এই পরিস্থিতি কী আশা করছেন কর্পোরেট বিশেষজ্ঞ থেকে অর্থনীতিবিদ ও মার্কেট এক্সপার্টরা? আসুন জেনে নেওয়া যাক!

একটি স্পষ্ট ও বৃদ্ধি সহায়ক পরিবেশ দরকার, যাতে করোনা পরিস্থিতির পরও ঘুরে দাঁড়ানো যেতে পারে- এমনই জানাচ্ছেন, Muthoot Finance-এর MD জর্জ আলেকজান্ডার মুথুট। তাঁর কথায়, ক্রেডিট এক্সপোজার, গোল্ড লোন NBFC, LTV রেট, TDS-সহ একাধিক বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা উচিৎ আসন্ন বাজেটে।

FDI India-এর CEO বিশাল যাদব জানিয়েছেন, ২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেট নিয়ে সকলে আশাবাদী। এক্ষেত্রে FDI নিয়ে একাধিক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আশা করা যায়। সব ঠিক থাকলে নিউ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি ও ন্যাশনাল ই-কমার্স পলিসি (National E-commerce Policy) নামে দু'টি নতুন নীতি আনতে পারে সরকার। আসন্ন বাজেটে মূলত সিঙ্গল ব্র্যান্ড রিটেল ট্রেডিং, কনট্র্যাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, কোল মাইনিং ও ডিজিটাল মিডিয়ায় FDI নিয়ম নীতিতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।


মার্কেট এক্সপার্টদের কথায়, বর্তমান বাজারের কথা মাথায় রেখে ফিস্কাল ডেফিসিটের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ইক্যুইটি মার্কেটে খরচের খাতে সাহায্য করার পাশাপাশি কর বাড়ানো বা কর ছাড়ের ক্ষেত্রেও বিবেচনা করতে হবে। ক্যাপেক্সের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার বাড়াতে হবে সরকারকে।

Shoptimize-এর CEO মঙ্গেশ পণ্ডিত রাওয়ের কথায়, করোনা পরবর্তী MSME সেক্টরকে চাঙ্গা করতে একাধিক নীতি নিতে হবে। ঋণে MSME-দের জন্য ২ শতাংশ ইন্টারেস্ট সাবভেনশন স্কিম (Interest Subvention Scheme) কমপক্ষে ৩-৪ শতাংশ বাড়াতে হবে। যার ফলে অর্থের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ৩ কোটি টাকায়। মাইক্রো অ্যান্ড স্মল এন্টারপ্রাইজ স্কিমের (Micro and Small Enterprise Scheme) ক্রেডিট গ্যারান্টি ফান্ডের অধীনে অর্থ সাহায্য পায় MSME সেক্টর। একটি জামানত মুক্ত বা কোলাটেরাল ফ্রি লোন পাওয়া যায়। এই কোলাটেরাল ফ্রি লোনের সীমা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ করতে হবে। এক্ষেত্রে ক্ষুদ্র শিল্পগুলির জন্য ৫ কোটি পর্যন্ত, ছোট শিল্পের জন্য ১৫ কোটি ও মাঝারি শিল্পের জন্য ৩৫ কোটি পর্যন্ত কোলাটেরাল লোন বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।

ডিজিটাল ক্ষেত্রের পরিকাঠামো উন্নত করতে হবে। ডেটা সেন্টারের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে সরকারকে। এক্ষেত্রে ‘Make in India Cloud’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন করতে হবে। Razorpay-এর সহ প্রতিষ্ঠাতা ও CEO হর্ষিল মাথুর ( Harshil Mathur) জানিয়েছেন, আশা করছি জিরো মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট পলিসি ও তার নানা বিকল্প নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে সরকার। বাজেটে এ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে ই-পেমেন্টের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে।

অন্য দিকে, Snapbizz-এর প্রতিষ্ঠাতা ও CEO প্রেম কুমার ( Prem Kumar) জানিয়েছেন, ডিজিটাইলেজশনের প্রক্রিয়াকরণে মুদির দোকান থেকে শুরু করে ছোটখাটো সমস্ত দোকানের পাশে দাঁড়াতে হবে সরকারকে। কারণ রিটেল টেক ইন্ডাস্ট্রিকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: