মমতা বলেন, ‘‘আগের প্রার্থীকে টিকিট দিতে পারিনি, মাঝেমধ্যে সবাইকে সুযোগ দিতে হয়। কেউ যদি ভাবেন আমি সবসময়ের জন্য থাকবো তা হয়না। মানুষের সঙ্গে থাকুন, মানুষের কাজ করুন। টিকিট পাননি মানে এই না যে দলের বিরোধিতা করবেন। একটা সিটে একটাই টিকিট দেওয়া যায়। যাকে সিট দিতে পারব না, তাকে অন্য কাজে লাগান হবে।’’
advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে এদিন মমতা বলেন, ‘‘ওয়েদার ঠিক নেই, একটা জায়গায় বেশি সময় লাগলে অন্য কোথাও না যেতে পারলে তারা কষ্ট পাবেন। মেদিনীপুরে এমনিই সাইক্লোন বেশি হয়।
নারায়ণগরের সব জায়গায়ই আমার প্রাচীন জায়গা, আন্দোলনের জায়গা, এই মেদিনীপুর। অবিভক্ত মেদিনীপুরের অবদান, আমরা যে ভাষায় কথা বলি, সেই ভাষার বিদ্যাসাগরের জন্ম এই মাটিতে। সবাইকে নিয়ে চলার মাটি। আমি প্রত্যেকটা রাস্তাঘাট চিনি এখানকার।’’
তিনি বলেন, ‘‘ছাত্র রাজনীতির সময় রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতাম আমরা। তখন দেখেছি জঙ্গলমহলের মানুষ পিঁপড়ের ডিম খেয়ে থাকত। আপনারা নিশ্চয়ই কেশিয়ারি হত্যাকাণ্ড ভোলেননি। চমকাইতলার মর্মান্তিক ঘটনা ভোলেননি। আমি তখন রেলের একের পর স্টেশন উদ্ধোধন করার জন্য এখানে আসতাম, তখন একবার শুনলাম, সিপিএম তাণ্ডব করে বেড়াচ্ছে।’’
গড়বেতায় পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করলেন মমতা৷ তিনি বলেন, ‘‘চমকাইতলায় অজিত পাঁজাকে বন্দুক দেখাল। গড়বেতায় এক মা আমাকে বলেছিলেন, আমায় একটা তৃণমূলের পতাকা আরেকটা বন্দুক দেবে? ছেলের মৃত্যুর বদলা নিতে চেয়েছিলেন তিনি। আজ বাংলায় বিরোধীরা নেচে নেচে বেড়াচ্ছে। দুধেভাতে আছে। আমরা চাই সরকার যেমন থাকবে বিরোধীরাও থাকবে। দিল্লিতে একটা সরকার আছে, এত স্বৈরাচারী। ওরা বলছে তৃণমূলকে চার্জশিট দেবে। মোদি অমিত শাহকে চার্জশিট দেওয়া উচিত সবার আগে।’’
ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মমতা বলেন, ‘‘মানুষের ট্রাইব্যুনালের আইনি লড়াইয়ের পয়সা সরকার দেবে। দেখছে বিজেপির আত্মীয় কে আছে, আরএসএস কে আছে, তাদের এনে ভাবছ ভোটে জিতবে? মানুষের সমস্যার সময় কোথায় থাকো? ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের একটাও টাকা দিয়েছ? রাজ্য কাজ শুরু করে দিয়েছে।’’
