ডিএ ইস্যুতে সরব হয়ে দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ভাতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা কার্যকর করা হয়নি। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সরকার বারবার সময়ের দেরি করেছে। বর্তমানে নির্বাচনের চাপে পড়ে নতুন করে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি কটাক্ষ করেন। তাঁর কথায়, আগে বকেয়া পরিশোধ হোক, তারপরই বোঝা যাবে ভোটের পর সরকারের ভবিষ্যৎ কী।
advertisement
ভোটার তালিকা সংশোধন প্রসঙ্গেও তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর জোর দেন। প্রত্যেক প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকায় থাকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর পেশ করা চার্জশিটের পাল্টা হিসেবে তৃণমূলের প্রস্তাবিত চার্জশিটকে গুরুত্বহীন বলে মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, বিগত ১৫ বছরে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষ ভোটের মাধ্যমে জবাব দেবে।
সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ শোনা যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে। সরকারি হাসপাতালগুলিকে ‘মৃত্যুফাঁদ’ আখ্যা দিয়ে দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, সেখানে চরম অব্যবস্থা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। হাসপাতালের পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে রোগীদের ন্যূনতম পরিষেবাও মিলছে না বলে তাঁর দাবি। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক হাসপাতাল পরিদর্শনকে ‘নাটক’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
সামগ্রিকভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক ও পরিষেবা ব্যবস্থার অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির জবাব দেবে সাধারণ মানুষই।এরপর সারাদিনমান একাধিক কর্মসূচি রয়েছে দিলীপ ঘোষের। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন কার জয় হয় সেটা এখন দেখার।





