স্থানীয়দের অভিযোগ, রেলগেট পড়ে গেলে প্রায়ই দীর্ঘক্ষণ যানজটের সৃষ্টি হয়। তৃতীয় রেললাইন চালু হওয়ার পর ট্রেন চলাচল বেড়েছে, ফলে গেট বন্ধ থাকার সময়ও বেড়েছে। অনেক সময় আধঘণ্টা পর্যন্ত যানবাহন আটকে থাকে। মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে গেটে আটকে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
advertisement
এই রেলপথ খড়গপুর–বালেশ্বর লাইনের অংশ। বেলদা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, বেলদা কলেজ, নারায়ণগড় ব্লক অফিস, বেলদা থানা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরে যাতায়াতের প্রধান পথ এটি। পাশাপাশি এই সড়ক ধরেই ওড়িশা রাজ্যে যাওয়া যায়। ফলে প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক মানুষ ও যানবাহন এই গেটের উপর নির্ভরশীল। দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসী রেল ও প্রশাসনের কাছে ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। বেলদা রেল যাত্রী ও নাগরিক কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে গণকনভেনশন, মানববন্ধন ও পথ অবরোধের মত কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্টও ওভারব্রিজ নির্মাণের বিষয়ে তৎপরতা দেখিয়েছেন বলে জানা যায়। তবে এখনও পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান মেলেনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জনসংখ্যা ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও পরিকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় সমস্যার তীব্রতা বাড়ছে। প্রতিদিনের এই ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। কবে নির্মিত হবে ওভারব্রিজ বা বিকল্প ব্যবস্থা—সেই প্রশ্নই এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে ঘুরছে।





