গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অধ্যাপক চক্রবর্তী ও তাঁর দল বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এবং স্বয়ংক্রিয় খনি প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চালিয়ে আসছেন। তাঁদের কাজের মূল লক্ষ্য খনিতে নিরাপত্তা বাড়ান, কাজের গতি ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং পরিবেশের ক্ষতি কমান। এই গবেষণাগার থেকে ইতিমধ্যে একাধিক পেটেন্ট, প্রোটোটাইপ, বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ এবং আধুনিক প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে।
advertisement
তাঁদের গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর ব্যবস্থা, খনি অটোমেশন, সেন্সর প্রযুক্তি, রোবোটিক্স, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অফ থিংস (IIoT) এবং টেকসই উন্নয়নমূলক সমাধান। এসব প্রযুক্তি খনি শিল্পকে আরও আধুনিক ও নিরাপদ করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই স্বীকৃতি শুধু একটি গবেষণাগারের সাফল্য নয়, বরং আইআইটি খড়গপুরের গবেষণা উৎকর্ষের প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটি সবসময় দেশের অগ্রাধিকারমূলক লক্ষ্য, বিশেষ করে “মেক ইন ইন্ডিয়া” উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করে চলেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়নে এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আইআইটি খড়গপুর কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক দেবাশীষ চক্রবর্তী এবং তাঁর গবেষক দলকে এই সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। ভবিষ্যতেও তাঁরা আরও নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান ও দেশের নাম উজ্জ্বল করবেন, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।






