ছোটবেলায় বাবার চাকরির সুবাদে কিছুটা স্বচ্ছল জীবন কাটলেও সংসারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে আসার পর জীবন হয়েছে সংগ্রামের। পৈত্রিক জমি ও পুকুর রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কখনও চাকরির পিছনে ছোটেননি। তৎকালীন সময়ে স্নাতক ও বি.এড. পাশ করলেও পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন কৃষিকাজ। তবে জীবিকার আড়ালেই চলেছে তাঁর আসল পরিচয়, লেখালেখি ও ইতিহাসচর্চা।
আরও পড়ুন: অবলা প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনটাই দিয়ে দিলেন অটোচালক, এক নিমেষে সব তছনছ! আহত আরও ৫
advertisement
বিদ্যালয় জীবন থেকেই লেখার সঙ্গে তাঁর সখ্য। স্কুলে পড়াকালীন প্রথম প্রকাশিত কবিতা ও প্রবন্ধই তৈরি করে দেয় লেখকসত্ত্বার ভিত। পরবর্তীকালে কলকাতা সহ বিভিন্ন পত্রিকা ও দৈনিক সংবাদপত্রে নিয়মিত লিখেছেন প্রবন্ধ, গল্প ও কবিতা। লোকায়ত সংস্কৃতি, গ্রামীণ রীতি, বাংলা ও ওড়িশার ইতিহাস নিয়ে লিখেছেন একাধিক বই। দীর্ঘ কয়েক বছর নিজের সম্পাদনায় সাহিত্য ও খবরের কাগজও প্রকাশ করেছেন তিনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আজও তাঁর বাড়িতে আসেন বহু মানুষ। গ্রামীণ ইতিহাস, সংস্কৃতি কিংবা লোকশিল্প সম্পর্কে জানতে। সারাদিন বই পড়া, রেডিও শোনা, চিঠি লেখা আর লেখালেখির মধ্যেই ডুবে থাকেন অতনু। বহু বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও মনীষীর সঙ্গে চিঠির আদান-প্রদানও হয়েছে তাঁর। তবু সাদামাটা জীবনেই স্বচ্ছন্দ তিনি। প্রান্তিক এক গ্রামে বসে আজও যেভাবে তিনি সংস্কৃতি ও ইতিহাসচর্চায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন, তা সত্যিই অনুপ্রেরণার। নিঃশব্দেই কলমের আলো ছড়িয়ে চলেছেন অতনু নন্দন মাইতি। এই সাধনাকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।





