TRENDING:

সরকারি হাসপাতালেই বিরল রোগের চিকিৎসা! ব্যায়বহুল 'প্যারাডুয়োডেনাল হার্নিয়া' অস্ত্রোপচার বিনামূল্যে, প্রাণরক্ষা গৃহবধূর, দৃষ্টান্ত মেদিনীপুর মেডিক্যালে

Last Updated:

West Medinipur News: সরকারি হাসপাতালেই জটিল রোগের সফল অস্ত্রোপচার। দৃষ্টান্ত স্থাপন করল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ। বিরল 'রাইট প্যারাডুয়োডেনাল হার্নিয়া' মুক্ত বেলদার গৃহবধূ।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
Choose
News18 on Google
advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: আবারও এক জটিল রোগের চিকিৎসা মেদিনীপুরে। চিকিৎসকদের সাফল্যে নতুন প্রাণ ফিরে পেলেন জেলার এক মহিলা। আপাতত সুস্থ ও স্থিতিশীল রয়েছেন তিনি। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক বিরল হার্নিয়ার সফল অস্ত্রোপচার করে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সার্জেন ডাঃ সুদীপ্ত চ্যাটার্জী ও তাঁর টিম।
মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ
মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ
advertisement

‘রাইট প্যারাডুয়োডেনাল হার্নিয়া উইথ অবস্ট্রাকশন’-অত্যন্ত বিরল এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন বেলদা এলাকার ৪৬ বছর বয়সী এক মহিলা। গোটা পৃথিবীর মধ্যে এমন জটিল রোগের আক্রান্তের সংখ্যা হাতে গোনা। যার মধ্যে রয়েছেন এই মহিলা। দীর্ঘদিন ধরে তীব্র পেটব্যথা, বমি, পেট ফেঁপে যাওয়া এবং পেটে লাম্পের মতো উপসর্গে ভুগছিলেন তিনি। বিভিন্ন বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসার চেষ্টা করলেও অপারেশনের উচ্চ খরচের কারণে পরিবার অসহায় হয়ে পড়ে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ মদ্যপ চালকদের চিহ্নিত করতে জেলা জুড়ে ‘সারপ্রাইজ চেকআপ’! পুলিশের জালে ৫৮, গুনতে হচ্ছে মোটা জরিমানা

এই পরিস্থিতিতে রোগীর পরিবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মুখ্য সার্জেন ডাঃ সুদীপ্ত চ্যাটার্জীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট দেখে চিকিৎসকরা নিশ্চিত হন, এটি একটি জটিল ও বিরল ধরনের ইন্টারনাল হার্নিয়া। যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে পরিস্থিতি আরও সংকটজনক হতে পারত। পরে মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্তে আসেন চিকিৎসকরা।

advertisement

View More

আরও পড়ুনঃ দোলে পুরুলিয়ায় পর্যটকদের ঢল! বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণ রক্ষায় বনবিভাগের বিশেষ অভিযান, ব্যানার ও পোস্টারে ঢাকল জঙ্গলমহল

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে টানা অস্ত্রোপচার করেন ডাঃ চ্যাটার্জী। তাঁর সঙ্গে সহকারী সার্জেন হিসেবে ছিলেন ডাঃ সুপ্রতিম চাকী, ডাঃ অংকন কর্মকার, ডাঃ অমর্ত্য ও ডাঃ দেবশংকর। অ্যানেস্থেটিস্ট হিসেবে দায়িত্ব সামলান ডাঃ দেবাশিস ভড়। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অন্ত্রের আটকে থাকা অংশকে মুক্ত করে হার্নিয়ার ত্রুটি সংশোধন করা হয়। যা বাংলার চিকিৎসা পরিষেবায় নজিরবিহীন।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

অস্ত্রোপচারের পর রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল ও সুস্থ রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত ও দলগত সমন্বয়ের ফলেই এই জটিল অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
২০ হাজার টাকা খরচে ২ লাখ আয়! ৪৫ দিনেই বদলে যাবে ভাগ্য, কোন চাষে মিলছে এত লাভ?
আরও দেখুন

সরকারি হাসপাতালে এমন বিরল ও জটিল অস্ত্রোপচারের সাফল্য শুধু রোগীর পরিবারকেই স্বস্তি দেয়নি, সাধারণ মানুষের কাছেও আস্থা বাড়িয়েছে। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের এই সাফল্য প্রমাণ করল – সঠিক পরিকাঠামো ও দক্ষ চিকিৎসক থাকলে সরকারি হাসপাতালও সমানভাবে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা দিতে সক্ষম।

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
সরকারি হাসপাতালেই বিরল রোগের চিকিৎসা! ব্যায়বহুল 'প্যারাডুয়োডেনাল হার্নিয়া' অস্ত্রোপচার বিনামূল্যে, প্রাণরক্ষা গৃহবধূর, দৃষ্টান্ত মেদিনীপুর মেডিক্যালে
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল