অভিষেকের প্রতিশ্রুতির পরেই সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং বন্ধ থাকা খাদানগুলো পুনরায় চালু করতে ই-অকশনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। খাদান বন্ধ থাকায় প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন; এই সিদ্ধান্তে তারা অত্যন্ত খুশি এবং শিল্পে নতুন করে আশা জেগেছে।
advertisement
বাঁকুড়ার ‘রণ সংকল্প’ সভা থেকে পাথর খাদান নিয়েও বড় ঘোষণা করেছিলেন অভিষেক। আশ্বাস দেন পাথর খাদানের শ্রমিকদেরও। অভিষেক জানান, কিছু আইনি জটিলতার কারণে এই এলাকার সব পাথর খাদান পুরোদমে চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে সবগুলি খাদান পুরোদমে চালু হয়ে গেলে কমপক্ষে ২৫ হাজার লোক কাজের সুযোগ পাবেন।
তৃণমূল সাংসদ এ-ও বলেন, “আমি গত দু’মাস ধরে এর উপর কাজ করেছি। আজ সকালেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ৩১ মার্চের আগে সব কাজ চালু করে ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।’’ তার ওই ঘোষণার দিন কয়েক পরেই বাঁকুড়ার ১৭টি পাথর খাদান নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনলাইনে নিলাম অনুষ্ঠিত হবে ১১ ফেব্রুয়ারি। তার পরে দু’সপ্তাহের মধ্যে পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খাদানের কাজ শুরু হবে।
শালতোড়ার পাথর শিল্প দীর্ঘকাল ধরে সমস্যার সম্মুখীন ছিল, যার ফলে শ্রমিকরা কাজ হারিয়েছিলেন। অভিষেকের এই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ কর্মহীন শ্রমিকদের কাছে বড় স্বস্তির খবর, কারণ এর ফলে তাদের জীবিকা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এই পদক্ষেপ শুধু শ্রমিকদেরই নয়, সামগ্রিকভাবে শালতোড়ার পাথর শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত নবজোয়ার যাত্রা চলাকালীন শালতোড়ায় পাথর খাদান শ্রমিকদের সাথে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
