তিন বিধানসভা এলাকার মধ্যে কালচিনি বিধানসভার প্রার্থী পাসাঙ শেরপা জোর কদমে শুরু করেছেন তাঁর প্রচার। ২০২৩ সালে তিনি তৃণমূল থেকে আরএসপি দলে যোগ দিয়েছিলেন। এবারে কালচিনি বিধানসভা থেকে তিনি প্রার্থী আরএসপি-র। হারানো জমি ফিরে পেতে চা বলয়ে প্রচারে জোর দিয়েছেন তিনি। বেশি করে নজর কালচিনি, আটিয়াবাড়ি, হ্যামিল্টনগঞ্জ-এর মতো এলাকাগুলিতে।
advertisement
আলিপুরদুয়ার জেলায় আরএসপি-র প্রভাব একসময় অত্যন্ত গভীর এবং মজবুত ছিল। বিশেষ করে চা বলয় এবং গ্রামীণ এলাকায়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে। যার ফলে এই দলের প্রভাব কিছুটা কমেছে। তৎকালীন জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত ছিল আলিপুরদুয়ার। দীর্ঘদিন বামফ্রন্টের, বিশেষ করে আরএসপি-র দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল এই এলাকা। চা বাগান শ্রমিক এবং কৃষক সংগঠনগুলির ওপর আরএসপি-র শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ছিল। বর্তমানে আরএসপি-র প্রভাব আগের তুলনায় অনেক কমেছে। ২০১৪ ও পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের উত্থান এবং পরবর্তীতে বিজেপির শক্তিবৃদ্ধির ফলে আরএসপি-র ভোটব্যাঙ্ক প্রভাবিত হয়েছে। বামফ্রন্টের দুর্বলতার সুযোগে এবং তৃণমূলের দাপটে একসময় আরএসপি-র অনেক কর্মী ও নেতা দলবদল করেছিলেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে এবারে বিধানসভা ভোটে নিজেদের আবারও ফিরিয়ে আনতে চাইছে আর এস পি। কালচিনির প্রার্থী পাসাঙ শেরপা জানান, “দুর্নীতি যেমন তৃণমূল করেছে তেমন বিজেপিও করেছে। চা বাগানের শ্রমিক এবং খেটে খাওয়া মানুষদের অত্যাচার করা হচ্ছে। তবে এবারে মানুষ দুই দলের মানসিকতা বুঝে গিয়েছে। এবারে আমরা জয়ী হব।”





