একই ছাপাখানায় হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যানার থেকে পোস্টার। এমনকি দলীয় পতাকা। এখানে যেন রাজনৈতিক ভেদাভেদ একেবারে নেই বললে চলে। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুরু হয়েছে প্রচার পুরোদমে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের পাশাপাশি নেতাকর্মীরা প্রচারে ঝড় তুলতে মরিয়া। আর তাঁদের প্রতিকৃতি ও প্রচার কথা তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ছাপাখানায়। নির্বাচনের প্রচারের মূল কাজ করে থাকে বর্তমানে ছাপাখানা। বলা ভাল ফ্লেক্স প্রিন্টিং সংস্থাগুলো। বর্তমানে এই সংস্থাগুলোর কর্মীদের দম ফেলার ফুরসত নেই। তারা দিনরাত এক করে কাজ করছেন। তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পতাকা, প্রার্থীদের নাম, ছবি-সহ ব্যানার, ফ্লেক্স, হোর্ডিং ও কাটআউট। রাজনৈতিক ময়দানে বিভিন্ন দলের লড়াই থাকলেও এখানে সমস্ত দলেরই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।
advertisement
তমলুকের নিমতৌড়ির একটি ছাপাখানায় দুই মেদিনীপুরের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল, বিজেপি, বাম দলের প্রচার সামগ্রী ছাপা চলছে। প্রচারের উত্তেজনার বাইরে বিভিন্ন দলের প্রথম সারির নেতাদের কাটআউট, ফ্লেক্স ব্যানার ও দলীয় পতাকার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। একই ছাপাখানায় ডাঁই হয়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সম্বলিত ফ্লেক্স ও ব্যানার। যারা রাজনৈতিক ময়দানে একে অপরের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে থাকেন তাদের এখানে শান্তিপূর্ণ সহবাস্থান।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এরকমই একটি ফ্লেক্স প্রিন্টিং সংস্থার কর্ণধার নীলুপ্রসাদ পাড়ই বলেন, “ভোটের দিন ঘোষণার প্রায় এক মাস আগে থেকেই আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক পতাকা-সহ প্রচার সামগ্রী তৈরি শুরু করেছিলাম। প্রার্থী ঘোষণার পরে তৃণমূল ও বিজেপি-সহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের নাম ও দলীয় প্রতীক-সহ ব্যানার, ফ্লেক্স ও হোর্ডিং তৈরির ‘অর্ডার’ অনুযায়ী কাজ চলছে। ৪২ জন কাজ করছেন। এখানে কোনও রাজনৈতিক বিরোধিতা নেই। সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের প্রচারমূলক সবকিছু ছাপা চলছে।” বাংলায় ভোট পরবে রাজনৈতিক হিংসা কম নয়। একদলের নেতা ও অন্য দলের নেতার বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য শোনা যায়। কিন্তু ছাপাখানায় তার সম্পূর্ণ অন্য চিত্র।





