আসানসোল জেলা হাসপাতালে দিনে গড়ে প্রায় ৭০০ থেকে ৭৫০ রোগীকে বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হয়। তাদের মুখে অন্ন তুলে দেওয়া এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি এমনই যদি চলতে থাকে অর্থাৎ সিলিন্ডার না পাওয়া গেলে চিকিৎসাধীন রোগীদের খাবার জোগান দেওয়া যে কোনও সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। হাসপাতালের রান্নাঘরের কর্মী মন্টু দাস বলেন, প্রতি মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি সিলিন্ডার লাগে। কোনও রকমে অতিরিক্ত দাম দিয়ে বাইরে থেকে গ্যাস নিয়ে এসে রান্না করা হচ্ছে, কিন্তু এইভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘদিন চালানো সম্ভব নয়। রাজেশ প্রসাদ বলেন, “গ্যাসের সমস্যার কারণে আমাদেরও রান্নায় সমস্যা হচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে রান্না করা সম্ভব হবে না। আবার যে কয়লা ব্যবহার করব তারও কোন উপায় নেই”।
advertisement
অপর দিকে, হাসপাতাল চত্বরে রোগীর পরিবার এবং ডাক্তারদের জন্য ক্যান্টিনেও গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এই ক্যান্টিনের ঠিক প্রাপ্ত সংস্থার কর্ণধার অসিত পাল বলেন, “ইতিমধ্যেই বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। এই রকম পরিস্থিতি থাকলে বেশিদিন ক্যান্টিন চালানো সম্ভব না, বন্ধ করে দিতে বাধ্য হব”।
অন্য দিকে, দিঘা জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, দুপুরে ও রাতে ভাত, ডাল আর চার রকমের সবজি ছিল সবার জন্য, সেটা বদল করে খিচুড়ি করা হচ্ছে, এতে বেশ কিছুটা গ্যাস সাশ্রয় হতে পারে। সেই সঙ্গে কত জন ভক্তকে প্রসাদ দেওয়া হবে তার তালিকাও কাটছাঁট করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগে প্রতিদিন তিন হাজার লোককে প্রসাদ খাওয়ানো হত।






