সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাঁকুড়ায় ৬,৫৩৩ জনকে ‘অযোগ্য’ ভোটার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট বিবেচনাধীন ভোটারের তুলনায় এই সংখ্যা প্রায় ২১ শতাংশের কাছাকাছি। ফলে সংখ্যাটা একেবারে নগণ্য না হলেও, অত্যধিক বড়ও নয়—এমনটাই মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। অন্যদিকে, প্রায় ৭৯ শতাংশ ভোটারই বৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন, যা মোট সংখ্যার বড় অংশ।
‘১৪ মিলিয়ন প্রাণ দিতেও প্রস্তুত’! আমেরিকার ডেডলাইনের মুখে কড়া বার্তা ইরানের প্রেসিডেন্টের
advertisement
ইস্তানবুলে ইজরায়েল কনস্যুলেটের কাছে আচমকা গুলিবর্ষণ! ৩ বন্দুকধারী নিহত, জখম ২ পুলিশকর্মী
প্রশাসনের দাবি, নির্দিষ্ট নথি, ঠিকানা যাচাই এবং অন্যান্য মানদণ্ড মেনেই এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তবুও যাঁদের নাম ‘অযোগ্য’ তালিকায় এসেছে, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, যাচাই প্রক্রিয়ায় কিছু ক্ষেত্রে ভুল বা অসঙ্গতি থাকতে পারে, যা পুনর্বিবেচনা করা দরকার।
ইতিমধ্যেই ‘অযোগ্য’ তালিকায় থাকা বহু ব্যক্তি ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে শুরু করেছেন। তাঁরা নিজেদের বৈধতা প্রমাণের সুযোগ চাইছেন। প্রশাসনও জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সমস্ত আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। ফলে, আগামী দিনে এই ইস্যুর চূড়ান্ত চিত্র অনেকটাই স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
