তবে মূলত ভোটের সময় এই প্রচারের আসল কারিগর হচ্ছেন চিত্রশিল্পীরা। সকালে ‘সূর্যি মামার’ দেখা মিলতেই সাইকেলে রং তুলি, বালতি নিয়ে কাজে নেমে পড়ছেন তাঁরা সকলে। তবে অনেক ক্ষেত্রে দলীয় কর্মীরও তাঁদের হাতে হাত দিচ্ছেন, তবে সুক্ষ্ম কাজ, অক্ষর বিন্যাস, ছন্দ তৈরি বা চিত্র আকার দায়িত্ব মূল শিল্পীদের হাতেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা কাজ করে এক একটি দেওয়ালকে তাঁরা যেন জীবন্ত ক্যানভাসে পরিবর্তন করছেন। নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিন রাত এক করে দিচ্ছেন চিত্র শিল্পীরা।
advertisement
আরও পড়ুন: হাত দিয়ে হাঁটছে, পা দিয়ে পড়ছে চশমা! দারিদ্র্যতাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে সেলুন কর্মীর ছেলে আজ জেলার গর্ব
দেওয়াল লিখনের ধরনও অনেক ক্ষেত্রে আলাদা। কোথাও বড় বড় অক্ষরে লেখা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শ্লোগান, কোথাও আবার প্রার্থীর নাম, দলের প্রতীক, আবার অনেক জায়গায় ছন্দ মিলিয়ে আকর্ষণীয় লাইন লেখা হচ্ছে। যা খুব সহজেই সাধারণ মানুষের নজর কাড়ছে। আবার অনেক জায়গায় বিরোধী দলকে কটাক্ষ করে ব্যঙ্গচিত্রও আঁকা চলছে। আবার কোথাও দেখা যাচ্ছে উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরা হয়েছে চিত্রের মাধ্যমে। ফলে দেওয়াল লিখন শুধু প্রচার নয়, এক ধরনের শিল্পরূপও ধারণ করেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
চিত্র শিল্পীরা জানাচ্ছেন, দিনের বেশিরভাগ সময়ই তাদের কাটছে বাস্তায় বা দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে। নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার সুযোগও অনেক সময় মেলে না। তীব্র গরমকে উপেক্ষা করে কাজ করে যেতে হচ্ছে। সন্ধ্যা নামলে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফেরা, আর পরদিন ভোরে উঠে একই রুটিন। এভাবেই টানা ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে চলবে এই কাজ। রামপুরহাটের এক চিত্র শিল্পী উজ্জ্বল ধর জানান ” এই কয়েকদিন আমাদের একটু বাড়তি উপার্জন হয়। সারাবছর চাষবাস করে চলে আমাদের।” চিত্রশিল্পীদের একাংশের কথায়, তাঁরা কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না। যে দল ডাকে সেই দলের হয়ে দেওয়াল লেখেন।






