বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস জানান, শুভ্রাংশু তার দীর্ঘদিনের বন্ধু। একসঙ্গে রাজনীতি করেছেন। তাঁর বাবার মৃত্যুতে আইনি বিধিনিষেধের কারণে আসতে পারিনি। তাই আজ এসে দেখা করে গেলেন। তিনি আরও বলেন, প্রয়াত মুকুল রায়-এর মৃত্যুর পর আইনি জটিলতার কারণেই আগে আসা সম্ভব হয়নি। তাই দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধার সঙ্গে দেখা করা এবং শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই ছিল এই আগমনের উদ্দেশ্য।
advertisement
একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হবে বলেও তিনি আশাবাদী। সুদীপ্ত দাস এদিন কাঁচরাপাড়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এখানে ভোটের লড়াই ব্যালট বাক্সে ও সভা-সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক হানাহানি যেন না হয়, সেটাই কাম্য। পাশাপাশি তিনি শুভ্রাংশুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং বীজপুরের মানুষের জন্য কাজ করার আশীর্বাদও চান।
অন্যদিকে, শুভ্রাংশু রায়ও এই সাক্ষাৎকে নিছক মানবিকতার দৃষ্টিতেই দেখছেন। তিনি বলেন, একজন মানুষ আর একজন মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়াবে, এটাই স্বাভাবিক। তিনি স্বীকার করেন, সুদীপ্ত দাস তাঁর বাড়িতে এসে তাঁর বাবা ও মায়ের ছবিতে প্রণাম জানান এবং কিছুক্ষণ কথাবার্তাও হয়। তবে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কোনও দ্বিধা রাখেননি শুভ্রাংশু। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বন্ধু তার নিজের দল করবে, আর আমি তৃণমূল কংগ্রেসের হয়েই লড়ব। একইসঙ্গে তিনি তাঁর বন্ধুর ভালো ফলাফলের কামনাও করেছেন। এই সাক্ষাৎ ঘিরে কাঁচরাপাড়ার রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। যদিও দুই পক্ষই বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বলে ব্যাখ্যা করায় রাজনৈতিক সমীকরণে এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।






