আর তার আগেই আবার একবার জাতীয় পরিবেশ আদালতে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও বীরভূম জেলা প্রশাসন। মূলত কঠিন ও তরল বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন সংক্রান্ত ২০১৬ সালের মামলায় ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতী কর্মসচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায় ও বীরভূম জেলাশাসক ধবল জৈন।
advertisement
দীর্ঘ প্রায় ৯ বছরেও বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য কেন এখনও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেল না? প্রশ্ন করে রীতিমতো তিরস্কার করে আদালত। দ্রুত পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না-করলে আদালত বড় রকম পদক্ষেপ নেবে বলে জানা গিয়েছে। ৩১ মার্চ ফের এই মামলার শুনানি জাতীয় পরিবেশ আদালতে।
এ প্রসঙ্গে বীরভূম জেলাশাসক ধবল জৈন বলেন, “আদালতে নির্দেশ মতই আলোচনা করে কাজ করা হবে।” তবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির আগে পরিবেশ আদালতের ভর্ৎসনা এড়াতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসের অভ্যন্তর বিশ্বভারতী সংলগ্ন এলাকায় উৎপন্ন কঠিন ও তরল সে বর্জ্য যথাযথভাবে সংগ্রহ করে অন্যত্র প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। এই বিষয়ে মামলাকারী পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত বলেন, “ফের আবারও আদালত চূড়ান্ত ভর্ৎসনা করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও বীরভূম জেলাশাসককে। আদালত বলেছে ৯ বছরেও কেন কোনও ব্যবস্থা করা গেল না? কোথায় গাফিলতি রয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।”
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোলপুর শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলায় দূষণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ২০১৬ ও ২০১৮ সালে জাতীয় পরিবেশ আদালতে দু’টি মামলা করেছিলেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। সেই দু’টি মামলায় ২০১৭ ও ২০২০ সালে আদালত বিশ্বভারতীকে নির্দেশ দিয়েছিল তরল ও কঠিন বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেটা করা হয়নি বলে অভিযোগ।
