ঘোড়ামারা দ্বীপের ভাঙনের কারণ হিসাবে উঠে এসেছে, এলাকাটি বেঙ্গল বেসিনের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে হেলে থাকার কথা। এখানকার ভূবৈশিষ্ট্য বিশেষ ধরনের। এছাড়াও রয়েছে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রসঙ্গ। ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রের জলের স্তর বৃদ্ধির প্রসঙ্গও।
advertisement
ঘোড়ামারা দ্বীপ
এই কমিটি গঠিত হবে কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের ভুবনেশ্বর আঞ্চলিক অফিসের ডিজি (ফরেস্ট) এবং রাজ্যের সিসিএফকে নিয়ে। দ্বীপের ভাঙন প্রতিরোধ এবং ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রক্ষা ও সম্প্রসারণ কীভাবে সম্ভব সেগুলি পর্যালোচনা করা হবে। কোন সংস্থাকে দিয়ে এবং মোটামুটি কত টাকায় ও কতদিনে কাজটি করা যাবে কমিটিকে জানাতে হবে সেটাও।
কিন্তু হঠাৎ কেন এই পরিকল্পনা? জানা গিয়েছে, এখনই যদি ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ২০৪২ সালের মধ্যে দ্বীপটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে। এমনিতেই ভাঙনের জেরে দ্বীপের অবস্থা সঙ্গীন। ১৯৬৯ সালে এই দ্বীপের আয়তন ছিল ৮.৫৯ বর্গ কিমি। ২০১৯ সালে সেই আয়তন কমে হয়েছে ৩.৮৩ বর্গ কিমি। ফলে বিষয়টি ভাবাচ্ছে সকলকে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই নিয়ে সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানিয়েছেন, ‘এটা ভাল উদ্যোগ। কাজটা ঠিকমতো হলে উপকারই হবে। ঘোড়ামাড়া-সহ গোটা সুন্দরবনে স্থায়ী কংক্রিট বাঁধ নির্মাণ করতে পারলেই ভাঙন আটকানো যাবে।’






