পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, ৭ ফেব্রুয়ারি ঝন্টু মান্না নামে এক কাঁথি থানার অধিবাসী তাঁর নিজের চাকরির জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য যোগাযোগ করে। উকিল মারফত তিনি ওই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পান। পরবর্তীকালে তাঁর কর্ম ক্ষেত্রে তিনি ওই সার্টিফিকেট জমা দেন। তারপরই জানতে পারেন ওই সার্টিফিকেট আসলে ভুয়ো।
ওই সার্টিফিকেট থানা থেকেই দেওয়া হয়নি। রীতিমতো থানার স্টাম্প ও সিল জাল করে ওই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরি করা হয়েছে। ঝন্টু মান্নার অভিযোগের ভিত্তিতে কাঁথি থানা পুলিশ একটি মামলা চালু করে। এই ঘটনায় কাঁথি থানার এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
advertisement
আরও পড়ুন- আরও স্মার্ট হয়েছে পরীক্ষা হলে ‘টুকলি’ পদ্ধতি! চিন্তা বাড়ছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের
এই বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানান, ঝন্টু মান্না নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে কাঁথি থানায় একটি মামলা রুজু হয়। ওই ব্যক্তি একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য থানায় এসেছিলেন। তাঁর চাকরির জন্য ওই সার্টিফিকেট-এর প্রয়োজন ছিল। সার্টিফিকেট নিয়ে যখন কর্ম ক্ষেত্রে দাখিল করেন তখন জানা যায় ওই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি বৈধ নয়। তখন তিনি থানায় এসে অভিযোগ জানায়।
প্রাথমিক তদন্তের পর দেখা যায়, কাঁথি থানায় কর্মরত ধনঞ্জয় করণ নামে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার থানার স্ট্যাম্প ডুপ্লিকেট করে এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরি করে। তার পর সেটি এক পরিচিত অ্যাডভোকেট-এর কাছ থেকে অভিযোগকারীর কাছে পৌঁছয়। ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে তোলা হলে সেখানে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজত হয়। অভিযোগকারী ঝন্টু মান্না উকিলের মারফত অর্থের বিনিময়ে ভুয়ো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেয়েছিলেন। ঐ সিভিক ভলেন্টিয়ার থানার স্ট্যাম্প ও সিল জাল করে এই কাজ করেছিল। বর্তমানে পুলিশি তদন্তে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার গ্রেফেতার হয় এবং পরে তার পুলিশি হেফাজত হয়। ঘটনায় কেউ জড়িত কিনা পুলিশ তদন্ত করছে।






