স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মৃত চুরর্কি হেম্ব্রম, শিবলাল কিস্কুর আত্মীয় হন। সেই সুবাদে গতকাল সন্ধ্যায় শিবলাল কিস্কুর বাড়িতে আসে চুরর্কি হেমরম। তারপর সেখানেই তাদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। বচসা চরম পর্যায়ে পৌঁছালে চুর্কি হেম্ব্রমের উপর চড়াও হয় শিবলাল কিস্কু,তার স্ত্রী মাকু কিস্কু,বৈদ্যনাথ কিস্কু, বাবুরাম কিস্কু সহ তার পরিবারের লোকজন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চুর্কির। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ময়ূরেশ্বর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী । সেখান থেকেই গতরাতে শিবলাল কিস্কু,মাকু কিস্কু, বৈদ্যনাথ কিস্কু ও বাবুরাম কিস্কুকে আটক করে ময়ূরেশ্বর থানার পুলিশ। তদন্তের সাপেক্ষে গ্রামেরই আরও প্রায় ২৫ জনকে আটক করা হয় বলে ময়ূরেশ্বর পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে এসে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে।এদিকে অভিযুক্ত শিবলাল কিস্কুর দাবি, “চুর্কি হেমব্রম নামে ওই ফোকশ বা ডাইনি কিছুদিন আগে আমার ছেলের বৌকে খেয়েছে। তারপর ও রাতারাতি বেরিয়ে চলে যায়।” তবে গতকাল ফের হোলি উৎসব থাকার কারণে বেলিয়া আদিবাসী পাড়ায় আসে চুর্কি হেমব্রম। তারপরই ঘটে এই হতবাক করা ঘটনা।
advertisement
