TRENDING:

দালাল হিসাবে খুনিদের পালাতে সাহায্য, হাদি হত্যাকাণ্ডে এবার শান্তিপুর থেকে ধৃত এক বাংলাদেশি!

Last Updated:

ভারতে ঢুকতে সাহায্য করেছিলেন মেঘালয়ের বাসিন্দা। তাঁকেই শান্তিপুর থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
শান্তিপুর: বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক Osman Hadi হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি—ফয়সাল মাসুদ করিম ও আলমগীর শেখ—সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে এক দালালের সাহায্য নিয়েছিলেন। সেই দালালকে শনিবার গ্রেফতার করেছে West Bengal Police Special Task Force (এসটিএফ)।
ওসমান হাদি
ওসমান হাদি
advertisement

কয়েক দিন আগেই রাজ্য পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ফয়সাল ও আলমগীর। উত্তর ২৪ পরগনার Bongaon এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, জেরার সময় ওই দু’জনের কাছ থেকেই দালালের পরিচয় সামনে আসে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দালালের নাম ফিলিপ সাংমা। তিনি বাংলাদেশের Haluaghat এলাকায় থাকতেন। হাদি হত্যাকাণ্ডে নাম জড়িয়ে পড়ার পর ফয়সাল ও আলমগীর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযোগ, ফিলিপের সহযোগিতাতেই তাঁরা অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের Meghalaya রাজ্যে প্রবেশ করেন।

advertisement

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার ভোরে নদিয়ার Shantipur বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে ফিলিপকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। প্রাথমিক জেরায় তিনি স্বীকার করেছেন, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশের হালুয়াঘাট ও মেঘালয়ের ডালুপাড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে লোকজন পারাপার করানোর কাজ করতেন। একইভাবে তাঁর সাহায্যেই ফয়সাল ও আলমগীর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে ঢুকেছিলেন।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে তোলপাড় শুরু হলে ফিলিপও ওই একই সীমান্তপথে ভারতে চলে আসেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এবং বারবার নিজের আস্তানা বদলাচ্ছিলেন। তবে সম্প্রতি আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। একই পরিকল্পনা ছিল ফয়সাল ও আলমগীরেরও। কিন্তু তার আগেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিন জনেই।

advertisement

শনিবার ধৃত ফিলিপ সাংমাকে আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাঁকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
আর ছুটতে হবে না নবদ্বীপ-কল্যাণী, নদিয়ায় চালু হয়ে গেল ব্লাড ব্যাঙ্ক, জটিল অপারেশন অনায়াসেই হবে সরকারি হাসপাতালে
আরও দেখুন

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা Osman Hadi (৩২)। পরে Singapore-এর একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর বাংলাদেশজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। তদন্ত শেষে Dhaka Metropolitan Detective Branch (ডিবি) যে চার্জশিট জমা দেয়, তাতে ফয়সাল মাসুদ করিম ও আলমগীর শেখকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পরে তাঁদের ভারতে গ্রেফতার করা হয়।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/নদিয়া/
দালাল হিসাবে খুনিদের পালাতে সাহায্য, হাদি হত্যাকাণ্ডে এবার শান্তিপুর থেকে ধৃত এক বাংলাদেশি!
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল