TRENDING:

Manaholi Rajbari: ডাকাতের ডেরায় জমিদারিত্ব! মনোহোলি রাজবাড়ির প্রতিটি ইটে আভিজাত্যের ছোঁয়া, ২০০ বছর পরও পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু

Last Updated:

Manaholi Rajbari: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের মনোহোলি রাজবাড়ি যেন এক ঐতিহাসিক প্রত্নস্থল। এখান থেকেই উদ্ধার হয়েছিল 'মনোহোলি তাম্রলিপি'। জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান এই রাজবাড়ি। কীভাবে যাবেন? রইল রুটম্যাপ

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
তপন, দক্ষিণ দিনাজপুর: ভারতবর্ষের আনাচে কানাচে রয়েছে বহু প্রাচীন রাজবাড়ি। যা ভারতীয় ইতিহাস এবং জমিদার বংশের নানান রোমাঞ্চকর কাহিনির সাক্ষী। এমনই এক ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ি রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের মনোহোলি গ্রামে। এই রাজবাড়িটিকে ঐতিহাসিক প্রত্নস্থল বললে হয়ত কম বলা হবে। মনোহোলি রাজবাড়ির সঙ্গে বাংলার বহু প্রাচীন ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। এখান থেকেই উদ্ধার হয়েছিল ‘মনোহোলি তাম্রলিপি’ বা কপার প্লেট।
মনোহোলি রাজবাড়ি
মনোহোলি রাজবাড়ি
advertisement

উদ্ধার হওয়া তাম্রলিপি থেকে জানা যায়, পাল বংশের রাজা মদনপাল তাঁর প্রধান রানি চিত্রমতিকাদেবীকে মহাভারত পাঠ করে শোনানোর দক্ষিণাস্বরূপ এক ব্রাহ্মণকে একটি গ্রাম দান করেছিলেন। সেই গ্রামই বর্তমানে মনোহোলি গ্রাম নামে পরিচিত।

আরও পড়ুনঃ ডাইনোসর যুগের আগে কারা ছিল পৃথিবীতে? তিরিশ কোটি বছরের প্রাচীন ফসিল সংরক্ষিত বাঁকুড়ায়, ইতিহাসের খনি ছোট্ট এই সাদা বাড়ি

advertisement

ইংরাজির ১৮৯০ সাল নাগাদ মনোহোলি গ্রামে ছিল ডাকাতদের দাপট। ঘন জঙ্গলে ঢাকা ছিল বিস্তীর্ণ এলাকা ছিল ডাকাতের ডেরা। ভয়ঙ্কর ডাকাত দলকে সরিয়ে তারাচাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায় মনোহোলি রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন। বর্ধমান জেলার কাটোয়ার সিন্নি গ্রাম থেকে এসে মনোহোলি গ্রামে নিজের জমিদারি স্থাপন করেন তিনি। পরবর্তীকালে ডাকতদেও সমাজের মূল স্রোতে ফেরান তিনি। তাঁর হাত ধরেই জমিদার বাড়িতে দুর্গাপুজোর সূচনা হয়। পুজোর জন্য একটি মন্দির দালানও তৈরি করান তিনি। এই পুজো অবিভক্ত দিনাজপুরের বনেদি বাড়ির পুজোর মধ্যে অন্যতম। জমিদার পরিবার থেকে বর্তমানে সর্বজনীন রূপ নিয়েছে প্রাচীন এই পুজো।

advertisement

আরও পড়ুনঃ চেনা ছকের বাইরে অচেনা জীবন! নামমাত্র উপার্জনের জন্য আজও ‘সং’ সাজতে হয়, একটু একটু করে হারিয়ে যাচ্ছেন বাংলার বহুরূপীরা

একসময় এই জমিদার বাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণ উৎসব এবং নহবত বসত। তবে কালের নিয়মে জমিদার ও জমিদারি প্রথা সবই ঘুচেছে। পড়ে রয়েছে ভগ্নপ্রায় প্রাসাদ। যা এখনও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। পর্যটকদের কাছে মনোহোলির এই রাজবাড়ি অন্যতম একটি আকর্ষণ। বহু ইতিহাসপ্রেমীও জায়গাটি পরিদর্শন করতে আসেন।

advertisement

কীভাবে যাবেন মনোহোলি রাজবাড়ী?

শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে আপনাকে প্রথমে ট্রেনে করে বালুরঘাট আসতে হবে। স্টেশন থেকে রাজবাড়ির দূরত্ব সড়কপথে প্রায় ৩১-৩৪ কিমি। তপন-বালুরঘাট বাইপাস রোড হয়ে নিজস্ব গাড়ি, ট্যাক্সি বা বাসে করে মনোহোলি পৌঁছে যাবেন। সময় লাগবে প্রায় দেড় ঘণ্টা।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
সুন্দরবনের নোনা মাটিতে রঙিন ফলের চাষ, স্বল্প খরচে মালামাল কৃষকরা, ঘরে আসছে মোটা টাকা
আরও দেখুন

এছাড়া কলকাতা বা শিলিগুড়ি থেকে বালুরঘাটগামী এনবিএসটিসি (NBSTC) বা বেসরকারি বাসে চেপে বালুরঘাট বাস স্ট্যান্ডে নামতে হবে। সেখান থেকে স্থানীয় যানে তপন ব্লকের মনোহোলি গ্রামে যাওয়া যায়।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Manaholi Rajbari: ডাকাতের ডেরায় জমিদারিত্ব! মনোহোলি রাজবাড়ির প্রতিটি ইটে আভিজাত্যের ছোঁয়া, ২০০ বছর পরও পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল