অবিভক্ত বাংলায় জমিদার যোগেন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী ৬০০ বছর আগে মাটিয়া কালীর আরাধনা শুরু করেছিলেন। সেই থেকে চলে আসছে পুজো। জমিদার কিংবা জমিদারিত্ব সবই বর্তমানে ঘুচেছে কিন্তু জমিদার বংশধরেরা বংশপরম্পরায় মন্দির সেবায়েত হিসেবে কাজ করে চলেছেন। বটগাছের নীচে বিশাল উঁচু মাটির বেদীতে মাটিয়া কালী এখানে পূজিতা হন রটন্তী কালী রূপে।
advertisement
প্রতি বছর দীপান্বিতা অমাবস্যায় গভীর রাতে এখানে তন্ত্রমতে পুজো হয়। দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা এই সময় ছুটে আসেন মাটিয়া কালীর মন্দিরে। দেবীকে উৎসর্গ করে হয় প্রচুর পাঁঠা বলি। অমাবস্যার রাতে পুজোকে ঘিরে গমগম করে গোটা এলাকা। মাটিয়া কালীর থানের পাশেই রয়েছে একটি প্রাচীন পঞ্চমুখী শিব মন্দির। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যে এখানে আরতি হয়।
কীভাবে যাবেন গঙ্গারামপুরের মাটিয়া কালী মন্দিরে? জানুন…
আপনি যদি ট্রেনে যেতে চান তাহলে, শিয়ালদহ স্টেশন থেকে গৌড় এক্সপ্রেস বা তেভাগা এক্সপ্রেসে সরাসরি গঙ্গারামপুর স্টেশনে নামতে হবে। স্টেশন থেকে মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ১৫-২০ কিমি। পেয়ে যাবেন অটো বা টোটো।
সড়কপথে গঙ্গারামপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে অটো, টোটো বা প্রাইভেট গাড়ি ভাড়া করে সরাসরি কুশমন্ডি ব্লকের আমিনপুর গ্রামে অবস্থিত মাটিয়া কালী মন্দিরে যাওয়া যায়।
