বাণিজ্যিক গ্যাসের এই আকালের কারণে উপায় না দেখে অনেক হোটেল মালিক বিকল্প পথ বেছে নিচ্ছেন। গ্যাস ওভেনের বদলে তারা বাধ্য হয়ে কাঠের এবং কয়লা কিনে আনছেন এবং নতুন করে ‘কাঠের উনুন’ তৈরি করছেন। এই সংকটের সবচেয়ে মর্মান্তিক শিকার হচ্ছেন বাইরে থেকে কারিগর ও কর্মচারীরা।
advertisement
হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় তারা বিপাকে। তাদের কথায়, “পেটের দায়ে আমরা দূর-দূরান্ত থেকে এখানে কাজ করতে এসেছি। গ্যাসের অভাবে রেস্তোরাঁগুলো যদি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, তবে আমাদের কাজ হারাতে হবে এবং না খেয়ে মরার মতো অবস্থা হবে।
প্রসঙ্গত, কেবলমাত্র দু’চারটি রেঁস্তোরা বা হোটেল নয়, খাদ্য সরবরাহ এবং খাবারের দোকানগুলিও গ্যাস সঙ্কটের কারণে প্রবল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খাবারের মেনু সীমিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জোমাটো, সুইগি এবং জুবিল্যান্ট ফুডওয়ার্কসের শেয়ার ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
আরও পড়ুন: সর্বনাশ! ইরাকে ভেঙে পড়ল আমেরিকার সামরিক বিমান KC-১৩৫, ইরান যুদ্ধে বিরাট ক্ষতি US-এর
ইটারনালের শেয়ারের দাম ৫ শতাংশ কমে ২২২.১৫ টাকায় নেমে আসে, পরে আবার ২২০.৪০ টাকায় ফিরে আসে। সুইগির শেয়ারের দাম ২৭১ টাকায় নেমে আসে এবং আবার ২৮২ টাকায় ফিরে আসে।
এলপিজি সিলিন্ডারের ঘাটতি এবং কালোবাজারির খবরে বিভিন্ন দিক থেকে বড় শহরগুলির বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ তাঁদের কার্যক্রম বন্ধ করতে এবং মেনুর আইটেমের সংখ্যা কমাতে বাধ্য হয়েছে। আইটি কোম্পানি ইনফোসিসও এই পথ অনুসরণ করেছে।
