মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে তিনবারের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লা ছিলেন। তাঁর পরিবর্তে অভিষেক ঘনিষ্ঠ সামিম আহমেদকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। গত লোকসভা ভোটের আগে থেকেই মগরাহাট পশ্চিমে দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বাড়তে থাকে।
আরও পড়ুন: অবশেষে প্রার্থী হিরণ! খড়্গপুর হাতছাড়া, কোন কেন্দ্র থেকে অভিনেতাকে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি?
advertisement
বিধায়ক অনুগামী ও বিরোধী গোষ্ঠীদের সংঘর্ষ ও প্রকাশ্য বিরোধিতায় দল কার্যত নাজেহাল হয়ে উঠেছিল। দু’পক্ষের বচসা মেটাতে কিছুদিনের জন্য অস্থায়ী পর্যবেক্ষক হিসেবে এক নেতাকে দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দু’পক্ষের দ্বন্দ্ব আরও বাড়তে থাকায় পর্যবেক্ষককে সরিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমে, দলের বিরুদ্ধে একাধিক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ান বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন।
আরও পড়ুন: বামেদের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা! নেই সেলিম, সৃজন, শতরূপ
তাছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে বেশ কয়েকবার সরব হতে দেখা যায় দলেরই নেতাকর্মীদেরকে। এইসব ঘটনার ফলে দলের কাছে তাঁর ভাবমূর্তি কিছুটা নষ্ট হয়। এবার এই কেন্দ্র থেকে লড়াই করবেন সামিম। তিনি এতদিন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন। গত কয়েক মাস আগে তাঁকে ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাট পশ্চিম ও মহেশতলা বিধানসভার কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব দেয় দল। সেই সুবাদে মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভায় কার্যত চষে বেড়িয়েছেন তিনি।
তিনি ছাড়াও আরও ৪ কেন্দ্রে বদল হয়েছে প্রার্থী। রায়দিঘি, কুলপি, মগরাগাট পশ্চিম, মগরাহাট পূর্ব ও ফলতা বিধানসভায় তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নতুন প্রার্থীরা। কুলপি বিধানসভায় টিকিট পাননি তিন বারের বিধায়ক তথা প্রবীণ তৃণমূল নেতা যোগরঞ্জন হালদার। তাঁর জায়গায় প্রার্থী করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত বর্ণালী ধাড়াকে। রায়দিঘি থেকে বাদ পড়েছেন অলোক জলদাতা। তাঁর জায়গায় প্রার্থী হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও নাট্যব্যক্তিত্ব তাপস মণ্ডল।
ফলতায় শঙ্কর নস্করের পরিবর্তে প্রার্থী করা হয়েছে জাহাঙ্গীর খানকে। মগরাহাট পূর্ব বিধানসভায় তিনবারের বিধায়ক নমিতা সাহার জায়গায় টিকিট পেয়েছেন শর্মিষ্ঠা পুরকাইত। তবে নতুন প্রার্থীদের মধ্যে সামিম আহমেদ প্রথমবার এন্ট্রি নিয়েই চমকে দিয়েছেন সকলকে।






