কোড ল্যাঙ্গুয়েজে চলছে এই বার্তা বিনিময়। সেই কোড এখনও ডি-কোড করা যায়নি। এই বিষয়টি সামনে আসার পরই অ্যামেচার রেডিয়োর ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিয়ো ক্লাবের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরকে জানানো হয়েছে। কী বার্তা চলছে, কাদের মধ্যে চলছে এখনও খবর মেলেনি। হ্যাম রেডিয়োর নিজস্ব তরঙ্গ রয়েছে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত হ্যাম অপারেটররা সেই তরঙ্গে নিজেদের মধ্যে কথা বলেন। সেই তরঙ্গে এই তথ্য ধরা পড়েছে।
advertisement
এইচএফ রেডিয়ো সিগন্যাল ব্যবহার করছে সন্দেহভানজরা। টানা ডিজিটাল মোডে বার্তা বিনিময় চলছে। যা এনক্রিপটেড, কোডে কথা বলছে। হ্যাম রেডিয়োর নির্দিষ্ট ওয়াট থাকে। এক্ষেত্রে সেই ওয়াটের বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।
এইচএফের ফ্রিকোয়েন্সি মাঝে মাঝে আপডাউন করে। কিন্তু, এক্ষেত্রে অত্যন্ত শক্তিশালী সিগন্যাল রয়েছে। গভীর সমুদ্র থেকে ওই ডিজিটাল বার্তা বিনিময় চলছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিয়ো ক্লাবের সম্পাদক অম্বরীশ নাগ বিশ্বাস জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কথা ভেবে বিষয়টি নজরে আসামাত্রই আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক দফতরে জানানো হয়েছে। কারণ, এই বার্তা বিনিময় হ্যামের নয়। ফলে তা যথেষ্ট সন্দেহজনক।






