উল্লেখ্য এবার কুলপি থেকে যোগরঞ্জন হালদারকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। তবে কুলপির সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, “যোগ দা দীর্ঘদিনের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। সিপিআইএম-এর গুলি-বন্দুকের বিরুদ্ধে লড়াই করে কুলপিতে প্রথম জোড়াফুল ফুটিয়েছিলেন তিনিই। দল এবার তাঁকে বড় দায়িত্ব দিয়ে সংগঠনের কাজে লাগাবে। এবার কুলপি বিধানসভায় লড়াই হবে তাঁর নেতৃত্বে।” এই বার্তার পর নির্বাচন কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন দুজনেই। কমিটিতে চেয়ারম্যান হয়েছেন সাংসদ বাপী হালদার।
advertisement
উল্লেখ্য কুলপির চারবারের বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদারকে এ বার টিকিট দেয়নি দল। প্রার্থী হয়েছেন নবাগত বর্ণালী ধাড়া। রায়দিঘিতেও অলক জলদাতাকে প্রার্থী করেনি দল। যদিও এই ঘোষণা নিয়ে অভিষেকের সভা শেষে যোগরঞ্জন আক্ষেপের সুরে জানিয়েছিলেন, “ভোটের আগে বলতে হয় তাই বলেছেন উনি। কেন আমাকে প্রার্থী করা হল না, সেটা জানি না। যদি দল আমাকে দায়িত্ব দিয়ে কাজ করায়, নিশ্চয়ই কাজ করব। আর তা না হলে বাড়ির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ব। রাজনীতি আর করব না।” এখন দেখার এই দুই কেন্দ্রের পরিস্থিতি আগামী দিনে কোন দিকে যায়। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই কেন্দ্র দুটি শক্ত অবস্থানেই রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
নবাব মল্লিক






