এই কর্মশালায় সরকারি পাঠ্যবই অনুযায়ী পঠনপাঠনের ধারা ও পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শিক্ষক-শিক্ষিকারা সহজ ভাষায় মায়েদের বোঝান, কীভাবে বাড়িতেও শিশুর শেখার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। প্রাক-প্রাথমিক বিভাগের কর্মপত্রভিত্তিক বই “কুটুম কাটাম” ও “মজারু”-র বিষয়বস্তু নিয়ে বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয়। শিশুদের খেলাধুলার মাধ্যমে শেখানো, ছবি দেখে চিনতে শেখা, ও ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে আগ্রহ বাড়ানোর উপায় তুলে ধরা হয়। এতে মায়েরা নতুন ধারণা ও পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: ভোটের কাজে বাধা দিলেই মিলবে চরম শাস্তি, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি হলে এফআইআর! জেলাশাসকের কড়া দাওয়াই
প্রথম শ্রেণির “আমার বই” নিয়ে আলাদা করে আলোচনা করা হয়। কীভাবে হাতে-কলমে কাজের মাধ্যমে পড়াশোনা সহজ ও আনন্দদায়ক করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষক-শিক্ষিকারা দেখান, কীভাবে মায়েরাও বাড়িতে ছোট ছোট কার্যকলাপের মাধ্যমে সন্তানদের শেখাতে পারেন। নির্দিষ্ট কাম্য সামর্থ্য অর্জনে পরিবার ও বিদ্যালয়ের যৌথ ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আতঙ্কমুক্ত ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে শিশুরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে শেখার প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমন কল্যাণ প্রধান বলেন, “আমরা চাই, মা ও বিদ্যালয় একসঙ্গে কাজ করুক। শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত মজবুত করতে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এতে মায়েরা শিক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কে জানবেন এবং বাড়িতে তা প্রয়োগ করতে পারবেন। এর ফলে শিশুদের শেখার গতি ও মান উভয়ই উন্নত হবে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ মা ও বিদ্যালয়ের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলবে। শিশুদের শিক্ষার ভিত্তি আরও মজবুত হবে। তারা আনন্দের সঙ্গে শেখার পথে এগিয়ে যায়।