প্রার্থী হওয়ার পর সময় নষ্ট না করে সরাসরি জনসংযোগে নেমে পড়েন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। সোনারপুর মোড়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের উৎসাহ দেন এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন। তার প্রার্থীতায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে স্পষ্ট উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই মনে করছেন, তার জনপ্রিয়তা এবং পরিচিত মুখ হওয়ার সুবিধা এই কেন্দ্রে বিজেপির পক্ষে বড় ফ্যাক্টর হতে পারে।
advertisement
রূপা গঙ্গোপাধ্যায় জানান, সোনারপুরের সঙ্গে তার সম্পর্ক নতুন নয়, বরং বহু বছরের পুরনো। তিনি বলেন, ‘প্রায় ৩০ বছর ধরে সোনারপুরে আমার যাতায়াত। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে আমার বাবা-মা থাকতেন। সেই সূত্রেই এই এলাকার সঙ্গে আমার একটা আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।’ এই ব্যক্তিগত সংযোগের কথাই তিনি তার প্রচারে তুলে ধরতে চাইছেন।
আরও পড়ুন-বিরল গ্রহের মহামিলনে কাঁপবে দুনিয়া…! চতুর্গ্রহী যোগে লটারি লাগবে ৪ রাশির, কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা গুণে শেষ হবে না, খুলবে ভাগ্য
রাজনৈতিক জীবনেও সোনারপুর তার কাছে অপরিচিত নয়। বিভিন্ন সময়ে দলীয় কর্মসূচি, আন্দোলন ও সভায় অংশ নিতে তিনি এই এলাকায় বহুবার এসেছেন। ফলে এলাকার মানুষ এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তার যথেষ্ট ধারণা রয়েছে বলেই দাবি তার। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি সরাসরি লড়াইয়ের ময়দানে। সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রটি এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস, বামফ্রন্ট এবং অন্যান্য শক্তির সঙ্গে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে চলেছে। এই প্রেক্ষাপটে নিজের জয়ের বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।
তার কথায়, ‘মানুষ পরিবর্তন চায়। আমি বিশ্বাস করি, সোনারপুরের মানুষ এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।’ পাশাপাশি তিনি ইঙ্গিত দেন যে, তার প্রচার হবে মানুষের সমস্যাকে সামনে রেখে এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। সব মিলিয়ে, প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে প্রচারে নামা রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছেন, সোনারপুর দক্ষিণে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। এখন দেখার, তার এই আত্মবিশ্বাস ভোটবাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয়।





