এই বার তৃণমূলপন্থী আইনজীবীদের সংগঠনের হয়ে ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নেন তিনি। এক সময়ে বামপন্থীদের হয়ে প্রচার করতেন। সেই ঘটনা নিয়ে তিনি জানান “ওটা এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার। এখন নতুন চ্যাপ্টার, নতুন সিলেবাস।”
আদালতের ভোটেও উঠে এসেছে এসআইআর প্রসঙ্গ। রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রতীক উরের অভিযোগ, এসআইআর নিয়ে তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনও দলকে জোরাল বিরোধিতা করতে দেখা যায়নি। তেমনই ডায়মন্ড হারবার আদালতের নির্বাচনে বিরোধীদের দেখা যাচ্ছে না বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
advertisement
প্রতীক বলেন, “সাধারণ মানুষের ভোটার তালিকায় অনেকে আন্ডার অ্যাজুডিকেশন রয়েছে। কিন্তু আদালতের ভোটার তালিকায় তো কমিশন নাক গলাতে পারে না। তাই এই নির্বাচনে ভোটাররা সঠিক জবাব দেবে।” বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনেও তৃণমূল জিতবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রতীক উরের আইনের ডিগ্রি রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার আদালতের আইনজীবীর তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। ভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে তাঁর। সেই সূত্রেই আদালতে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, “তৃণমূলে ভোট দিয়ে আমি খুশি। আলাদা অনুভূতি। নতুন অধ্যায় শুরু হল।”






