মূলত ডুবন্ত দ্বীপ ঘোড়ামারায় বিস্তীর্ণ কৃষিজমি লবনাক্ত হয়ে পড়েছিল। ফলে কৃষিকাজ বন্ধ হয়ে যেতে বসেছিল। এই নতুন প্রয়াসের ফলে ধ্বংসের হাত থেকে এবার বাঁচানো যাবে দ্বীপকে। এই প্রোবায়োটিক চাষের কাজে সহায়ক ভূমিকা নিতে পারে কি না, তা যাচাই করতেই শুরু হয়েছে চাষ।
advertisement
পরীক্ষামূলকভাবে একটি বাগান বানিয়ে সেখানে সবজি চাষ শুরু হয়েছে। সারা বিশ্বের কাছে ডুবন্ত দ্বীপের পরিচিতি কাটিয়ে উন্নয়নের নিরিখে পরিচিত হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখছে রাজ্যের ক্ষুদ্রতম এই পঞ্চায়েত। এখানে প্রথম লাগানো হবে লংকা, পেঁয়াজ-সহ বিভিন্ন গাছ। এই মাটিতে প্রোবায়োটিক ব্যবহার করা হয়েছে। এখন কেমন ফলন হয় সেদিকেই তাকিয়ে কৃষকরা।
গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আম্বিয়া খাতুন বিবি জানিয়েছেন, “আমরা এক চাষির জমিতে পরীক্ষমূলকভাবে এই চাষ করেছি। প্রোবায়োটিক ব্যবহারের ফলে গাছের বৃদ্ধি নজরে এসেছে। ভবিষ্যতে ধান, পান-সহ অন্যান্য চাষেও প্রোবায়োটিক ব্যবহারের উদ্যোগ নেব।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই চাষের সাফল্যের উপর নির্ভর করে সাগরের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন হবে। যার ফলে খুশি সকলেই। আগামী দিনে এই চাষে সাফল্য আসবেই বলে খুশি উদ্যোক্তারা।






